• বৃহস্পতিবার   ১৮ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ৩ ১৪২৯

  • || ১৯ মুহররম ১৪৪৪

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ. লীগের নেতারা কী করেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী সুশীল বাবু মইনুল খুনিদের নিয়ে দল গঠন করে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতরা আজ মানবাধিকারের কথা বলে: প্রধানমন্ত্রী ভারত পারলে আমরাও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী ‘ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি’ খবরদার আন্দোলনকারীদের ডিস্টার্ব করবেন না: প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার মৃত্যু নেই শোক দিবসে বঙ্গভবনে বিশেষ দোয়ার আয়োজন রাষ্ট্রপতির টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে পীরগঞ্জে তাণ্ডবের মামলায় ৫১ আসামির আত্মসমর্পণ বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি

পায়ের নিচে ‘জাতীয় পতাকা’ রেখে বিএনপির এ কেমন ‘বিজয় র‌্যালী’!

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০২১  

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৯ নভেম্বর (রোববার) বিজয় র‌্যালী বের করে বিএনপি। কিন্তু আদতে সেটি বিজয় র‌্যালী ছিলো না। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হয়ে ওঠে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি মিছিল। এ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার ঝড় বইছে।

বিশ্বস্ত সূত্রের তথ্যমতে, ১৯ নভেম্বর (রোববার) দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে দলটির বিজয় শোভাযাত্রা শুরু হয়। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, ওই শোভাযাত্রায় বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী নিয়ে কথা না বলে বরং সরকারবিরোধী স্লোগান আর খালেদার মুক্তি দাবি করা হয়। এ সময় নিজেদের মধ্যে সেলফি তোলা নিয়ে ছাত্রদলের দু’গ্রুপে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। ঘটে পায়ের নিচে জাতীয় পতাকা রেখে ছুটোছুটি-হুড়োহুড়ির ঘটনাও।

বর্ণাঢ্য ওই শোভাযাত্রার প্রথম সারিতে ছিল জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, এরপর মুক্তিযোদ্ধা দল, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ঢাকা মহানগর বিএনপির উত্তর ও দক্ষিণ শাখা, তাঁতি দল, মৎস্যজীবী দল, ওলামা দল, কৃষক দল ও শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা। ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ, মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। তবে তারা বিষয়টি নিয়ে উচ্চবাচ্য করেননি। এমনকি বিজয় মিছিলটি খালেদা জিয়ার মুক্তির মিছিলে পরিণত হলেও তারা ছিলেন নিশ্চুপ ও হাস্যোজ্জ্বল।

যোগাযোগ করা হয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ছাত্রদলের দু’গ্রুপে হাতাহাতির বিষয়টি শুনেছি। তবে পায়ের নিচে জাতীয় পতাকা রাখার বিষয়টি আমার জানা নেই। যারাই করুক, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে দল সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেবে।

রাজনৈতিক বিজ্ঞজনরা বলছেন, পায়ের নিচে জাতীয় পতাকা রেখে বিএনপি আবারও দেশের স্বাধীনতাকে অবমাননা করলো। তাও আবার বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীকালে। এর শাস্তি তাদেরকে পেতেই হবে। তা না হলে এই স্বাধীনতাবিরোধীরা নোংরা ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে আবারও দেশকে পিছিয়ে নেয়ার পাঁয়াতারা করবে।