• রোববার   ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৩ ১৪২৯

  • || ১৩ রজব ১৪৪৪

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
অন্যের কাছে আমরা হাত পাতবো না: প্রধানমন্ত্রী এখন কেউ আর কুঁড়েঘরে বাস করে না: প্রধানমন্ত্রী এখন আর হাওয়া ভবনে ‘পাওয়া’ দিতে হয় না- প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ড বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে দেড়শ শতাংশ, মনে রাখতে হবে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী ক্রয়মূল্য দিলে সবক্ষেত্রে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব লাইব্রেরিতে পড়াশোনার পরিবেশ তৈরিতে মনোযোগী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়ায়: রাষ্ট্রপতি সবাইকে আইনানুযায়ী রাজস্ব প্রদানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাজস্ব আদায় বাড়াতে আরও উদ্যমী হোন, এনবিআরকে প্রধানমন্ত্রী সমৃদ্ধ রাজস্ব ভাণ্ডার গড়ে তোলার ওপর প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার মার্চে কাতার যাবেন প্রধানমন্ত্রী, সেপ্টেম্বরে ভারত সফরের সম্ভাবনা অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি কেউ রুখতে পারবে না জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী

বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে বাহারি রঙের ফুলকপি

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২৩  

নেত্রকোনার বারহাট্রায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে বাহারি রঙের ফুলকপি। ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় ব্যাপক সারা ফেলেছে এলাকায়। খেতে সুস্বাদু ও দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় কৃষকসহ উৎসুক জনতা। কেউ নিচ্ছেন পরামর্শ আবার কেউ তুলছেন ছবি।

কৃষি বিভাগ বলছে, এটি উচ্চ প্রোটিন ও ওষুধিগুণ সমুদ্ধ সবজি। ভোক্তা পর্যায়ে এর চাহিদা থাকায় এর আবাদও ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে।

বারহাট্রা উপজেলার মনাষ গ্রামের কৃষক মোশারফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সবজি আবাদ করে যাচ্ছেন। এবছর তিনি ৪০ শতক জমিতে নানা জাতের সবজির আবাদ করেছেন। এর মধ্যে ২০ শতক জমিতে চাষ করেছেন রঙিন ফুলকপি। ফলনও হয়েছে বেশ ভালো। স্থানীয় কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় ফুলকপি বীজ সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। তার বাগানে হলুদ, বেগুনি, লাল ও সাদা রঙের ফুল কপি রয়েছে। বীজ ও চাষাবাদে তার খরচ হয়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে বিক্রিও শুরু করেছেন তিনি। প্রতিটি কপি মাঠেই বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

তিনি আশা করছেন, এই রঙিন ফুলকপিগুলো ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার মতো বিক্রি করতে পারবেন।  

রঙিন এসব ফুলকপি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকার কৃষকসহ সাধারণ মানুষ তার বাগানে ভিড় করছেন। কেউ নিচ্ছেন চাষের পরামর্শ আবার কেউ তুলছেন ছবি। বাহারি রং ও এর বাজারমূল্য ভালো থাকায় তার দেখাদেখি স্থানীয় অনেক কৃষকই এখন রঙিন ফুলকপি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।  

বারহাট্টা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাকিবুল হাসান বলেন, গেল বছর এটি ছোট আকারে আবাদ করা হলেও এবছর বিভিন্ন কৃষক দ্বারা ১৫০ শতক জমিতে বাহারি রঙের ফুলকপির আবাদ করা হয়েছে। এটি পুষ্টিকর ও উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ সবজি । বিশেষ করে এটিতে এন্টি ক্যানসারের উপাদান রয়েছে। তাছাড়া ভোক্তা পর্যায়ে এর চাহিদা থাকায় এর আবাদ সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে।