• মঙ্গলবার   ১৬ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ৩১ ১৪২৯

  • || ১৭ মুহররম ১৪৪৪

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
জাতির পিতার মৃত্যু নেই শোক দিবসে বঙ্গভবনে বিশেষ দোয়ার আয়োজন রাষ্ট্রপতির টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে পীরগঞ্জে তাণ্ডবের মামলায় ৫১ আসামির আত্মসমর্পণ বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি ফজিলাতুন নেছা মুজিব দৃঢ়চেতা-বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন: ওয়াং ই চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী শেখ কামাল ছিলেন ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমনা সুকুমার মনোবৃত্তির মানুষ

পূর্বাচলে নতুন ডিপ্লোমেটিক জোন হবে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০২২  

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেছেন, সরকার রাজউকের মাধ্যমে পূর্বাচলে নতুন ডিপ্লোমেটিক জোন হিসাবে চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নিয়েছে। কারণ অদূর ভবিষ্যতে অনেক দেশেরই বাংলাদেশে নতুন মিশন খোলার ব্যাপারে আগ্রহ রয়েছে। 

রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। মো. মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে যেসব দেশ ভাড়ায় অফিস পরিচালনা করছে তারাও নতুন জমির দাবি তুলতে পারে। এ কারণেই নতুন ডিপ্লোমেটিক জোন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান গুলশান ও বারিধারা এলাকায় কূটনৈতিক মিশনের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার মতো জায়গা খালি নেই। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) শহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসাবে পূর্বাচল ডিপ্লোমেটিক জোন গঠনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূর্বাচলের ২৭নং সেক্টরে জোনটি করার জন্য প্লট নির্ধারিত রয়েছে। বিদেশি মিশনগুলো সম্মত হলে প্রক্রিয়াটি দ্রুত শুরু করা যাবে।

তিনি বলেন, দূতাবাস ভবনের জন্য ভূমি বিনিময় এখন একটি যৌক্তিক রাষ্ট্রাচারে পরিণত হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে ভূমি বিনিময় কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। কিছু কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১ অনুযায়ী বিদেশি মিশনগুলোকে তাদের নিজস্ব ভবন তৈরির ক্ষেত্রে নতুন করে জমি বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন।