• সোমবার   ২৭ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৩ ১৪২৯

  • || ২৬ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
স্বপ্নজয়ের পর অপার সম্ভাবনার হাতছানি পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রীকে এশিয়ার পাঁচ দেশের অভিনন্দন ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের উন্নতির জন্য নিজের জীবন দেয়ার ওয়াদা- প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর ওপর হাজারো মানুষের ঢল ‘আছে শুধু ভালোবাসা, দিয়ে গেলাম তাই’ শিবচরের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ: পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন কংক্রিটের অবকাঠামো নয়, পদ্মা সেতু আমাদের অহংকার: প্রধানমন্ত্রী এ সেতু স্পর্ধিত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী ৪২টি পিলার বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার ভিত: প্রধানমন্ত্রী ‘সর্বনাশা’ থেকে ‘সর্বআশা’ পদ্মা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু পদ্মার বুক চিরে বাংলাদেশের ‘সাহস’ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেশের জন্য গৌরবোজ্জ্বল ও ঐতিহাসিক দিন

দক্ষিণাঞ্চলে কৃষিবিপ্লব হবে: প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২২  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পদ্মা সেতু হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলে কৃষিবিপ্লব হবে। ওপারে যেন কৃষিনির্ভর শিল্প হয়, সেদিকেই আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। বুধবার (২২ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ সকালেই আমার সঙ্গে একজনের কথা হলো। ফরিদপুরে তার চামড়া ইন্ডাস্ট্রি আছে, জুতা তৈরি করে। আমি তাকে বললাম, এখন কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প করবা। সেই ব্যবস্থা নাও। আমরা এখন কৃষিকে গুরুত্ব দিচ্ছি।’

তিনি বলেন, খাদ্যপণ্যটাই আমাদের সবচেয়ে দরকারি। খাদ্য উৎপাদন হলে দেশের খাদ্য চাহিদাও মেটানো যাবে।

শেখ হাসিনা বলেন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করলে শুধু রফতানি নয়, দেশেও কিন্তু বাজার সৃষ্টি হচ্ছে। এখন তো আল্লাহর রহমতে দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে। আমরা গ্রামে গ্রামে উন্নয়ন করছি।

তিনি আরও বলেন, এখন তো কাজের লোক পাওয়া যাবে না, তাই ঘরে বসে যেন 'রেডি টু কুক' বা রান্নার জন্য প্রস্তুত, খাওয়ার জন্য প্রস্তুত; এ রকম থাকলে সবার জন্য সুবিধা হয়। বাড়ির গৃহিণীরা বেশি খুশি হবে। কষ্ট করে মাছ কাটতে হবে না, তরকারিও কাটতে হবে না, প্রস্তুত করা খাবার বাসায় এনে শুধু রান্না করে খাবে। আমি বলেছি, এ ধরনের শিল্পকলার উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে।