• শনিবার   ২১ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৯

  • || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিবেশবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী খালেদাকে পদ্মায় ফেলতে আর ইউনূসকে চুবিয়ে তুলতে বললেন শেখ হাসিনা কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের রিফুয়েলিং পয়েন্ট কক্সবাজারে যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে কউক’র নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে- প্রধানমন্ত্রী ওপেনিংয়ে চতুর্থ সেরা জুটি গড়ে ফিরলেন জয়, তামিমের সেঞ্চুরি সাশ্রয়ী হতে হবে, অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: শেখ হাসিনা দেশের মানুষের শেষ ভরসাস্থল শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির নিরাপদ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি চার দশকেরও বেশি সময় শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আ.লীগ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী টাকা অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে স্পেনের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা

আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২২  

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শুক্রবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় এক বার্তায় এই শোক প্রকাশ করেন তিনি।

শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

‘তার মৃত্যুতে বাংলাদেশে একজন পরীক্ষিত ও অকৃত্রিম বন্ধুকে হারালো।’

শোকবার্তায় আবদুল হামিদ মরহুম প্রেসিডেন্ট জায়েদ আল নাহিয়ানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। এ সময় তিনি প্রয়াত প্রেসিডেন্টের পরিবার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এর আগে, শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও আবুধাবির শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

শেখ খলিফা বিন জায়েদ ২০০৪ সালের ৩ নভেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও আবুধাবির শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আমিরাতের প্রথম প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরী নির্বাচিত হন শেখ খলিফা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে দেশটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় উভয় সরকার পুনর্গঠনে জোরালো ভূমিকা রাখেন শেখ খলিফা। তার শাসনামলে আমিরাত দ্রুত উন্নয়নের পথে এগোতে থাকে এবং দেশটির বাসিন্দাদের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিত হয়।

শেখ খলিফা আমিরাতের তেল-গ্যাস খাতের উন্নয়নসহ দেশটির অর্থনীতি বহুমুখীকরণে সফলভাবে অবদান রেখেছেন।

তিনি ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের সদস্য মনোনয়ন পদ্ধতির বিকাশে একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়।