• সোমবার ২৪ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৯ ১৪৩১

  • || ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত: প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র রক্ষায় আ. লীগ নেতাকর্মীদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী আজ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ১০ চুক্তি সই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামীকাল দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে রাজকীয় সংবর্ধনা হাসিনা-মোদী বৈঠক আজ সংলাপের মাধ্যমে বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেয় বঙ্গবন্ধুর চার নীতি এবং বাংলাদেশের চার স্তম্ভ সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার উৎস শুক্রবার ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর: আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে ফিলিস্তিনসহ দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায়

ওজন করে কোরবানির পশু বেচাকেনা কি জায়েজ?

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৬ জুন ২০২৪  

আমাদের দেশের গরুর খামারগুলোতে পশুর লাইভ ওয়েট অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করে পশু বিক্রির প্রচলন রয়েছে। অনেক কোরবানির হাটেও এখন পশুর ওজন মাপার জন্য ডিজিটাল স্কেল বসানো হয় এবং ওজন দরে পশু কেনার সুযোগ থাকে।

পশুর লাইভ ওয়েট দেখে পশুর মূল্যমান বা তার গোশতের পরিমাণ অনুমান করা যায়, কিন্তু নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। তাই যদি পশুর লাইভ ওয়েট অনুযায়ী গোশত বিক্রি করা হয়, তা জায়েজ হবে না। যেমন কোনো পশুর লাইভ ওয়েট হলো একশত পঞ্চাশ কেজি, তা থেকে চল্লিশ শতাংশ বর্জ্য হিসেবে বাদ দিয়ে নব্বই কেজি গোশত পাঁচশত টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হলে তা জায়েজ হবে না।

কিন্তু যদি লাইভ ওয়েট মূল্যমান অনুমান করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়, পশু দেখে তার লাইভ ওয়েট অনুযায়ী যা দাম আসে তা দেখে ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মতিতে মূল্য নির্ধারণ করা হয়, তাহলে এই বেচাকেনা জায়েজ হবে। যেমন ক্রেতা কোনো পশু দেখে পছন্দ করল, গরুটি কেজিপ্রতি কত টাকা দরে বিক্রি হবে তা নির্ধারণ করা হলো এরপর লাইভ ওয়েট দেখার পর ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মতিতে দাম নির্ধারণ করা হলো, তাহলে এই বেচাকেনা জায়েজ হবে।

কারণ এ ক্ষেত্রে ওজন হিসেবে গরু বা ছাগলটির গোশত ক্রয়-বিক্রয় করা হয়নি বরং এটার মূল্য অনুমান করার জন্য গরুটি ওজন করা হয়েছে এবং ক্রেতা গরুটি চেখে দেখেও ওই দামে কিনতে সম্মত হয়েছেন।

যে সব পশু দিয়ে কোরবানি করা যায়
ছয় ধরনের গবাদি পশু দিয়ে কোরবানি করা যায়। উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা। খাওয়া হালাল এমন যে কোনো পশু দিয়ে কোরবানি করা যায় না। যেমন হরিন খাওয়া হালাল হলেও হরিন দিয়ে কোরবানি করা যায় না।

উট, গরু ও মহিষ এ তিন পশু কোরবানিতে সর্বোচ্চ সাত জন শরিক হতে পারে। অর্থাৎ একজন, দুজন, তিনজন থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ সাতজন ব্যক্তির পক্ষ থেকে একটি পশু কোরবানি যথেষ্ট হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সাত জন ওই পশু কেনায় সমান শরিক হবে এবং সমানভাবে গোশতও ভাগ করে নেবে।

ছাগল, ভেড়া, দুম্বা এ তিন পশু একজনের পক্ষ থেকে কোরবানি করা যায়।

কোরবানির পশুর বয়স
কোরবানি করার জন্য পশুর নির্দিষ্ট বয়সসীমা পার হওয়া জরুরি। যে কোনো বয়সের পশু দিয়ে কোরবানি করা যায় না।

উট কোরবানির জন্য তা কমপক্ষে ৫ বছরের হতে হবে। গরু ও মহিষ কমপক্ষে ২ বছরের হতে হবে। ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে ১ বছরের হতে হবে। ভেড়া ও দুম্বা যদি ১ বছরের কিছু কমও হয়, কিন্তু এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যে, দেখতে ১ বছরের মতো মনে হয় তাহলে তা দ্বারাও কোরবানি করা জায়েজ। এ রকম ক্ষেত্রে ভেড়া ও দুম্বার বয়স কমপক্ষে ৬ মাস হতে হবে।
উল্লেখ্য যে, ছাগলের বয়স ১ বছরের কম হলে কোনো অবস্থাতেই ওই ছাগল দিয়ে কোরবানি জায়েজ হবে না।