• শুক্রবার ২৪ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১০ ১৪৩১

  • || ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪৫

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
কৃষিতে ফলন বাড়াতে অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তি সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী বাজার মনিটরিংয়ে জোর দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদক’ দেবে বাংলাদেশ ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক রাইসি-আমির আব্দুল্লাহিয়ান মারা গেছেন: ইরানি সংবাদমাধ্যম সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতে কাজ করছে বিএসটিআই: প্রধানমন্ত্রী চাকরির পেছনে না ছুটে যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান ‘সামান্য কেমিক্যালের পয়সা বাঁচাতে দেশের সর্বনাশ করবেন না’ কেউ হতাশ হবেন না: প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির আহতদের চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নের জন্য কার্যকর জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা চান প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ক্ষমতায় এসে সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয় চমক রেখে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার তিন গুরুত্বপূর্ণ সফর: প্রস্তুতি নিচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনাথ ৩৫ জন শিশুর পাশে আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসন

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৪ এপ্রিল ২০২৪  

আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশি। ঈদ মানে পরিবারের সকলকে নিয়ে একসাথে আনন্দ করা। কিন্তু ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলায় অবস্থিত বরিশাল বিভাগীয় বেবী হোমে আশ্রিত পিতৃ-মাতৃ পরিচয়হীন অনাথ শিশুরা।

তবে, এবার ওই সকল অনাথ শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে, তাদের ঈদের আনন্দ উপভোগের জন্য তাদের পাশে দাড়িয়েছেন আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিন। ৩ এপ্রিল বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিন বিভাগীয় বেবী হোমে গিয়ে সেখানে বসবাসরত শিশুদের সাথে কিছু সময় কাটিয়ে ঈদের উপহার হিসেবে তাদের নতুন পোষাক প্রদান করেন।

এসময় তিনি ঈদের দিনে অনাথ শিশুদের বিশেষ খাবারের ব্যবস্থার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফল, দুধ, চিনি, সেমাই, পোলাও চাল, নুডুলসসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় বেবী হোমের উপ-তত্বাবধায়ক ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন, গৈলা মডেল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটু তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র মতে, বেবী হোমে আশ্রিত শিশুদের অপনজন বলতে কেউ নেই। অধিকাংশ অনাথ শিশুদের জন্ম হয়েছে কোন অন্ধকার গলিতে, কারো ফুটপাতে, আবার কারো পরিচয় না থাকায় পথশিশু হিসেবে এখানে তাদের ঠাঁই মিলেছে। সমাজের কাছে তারা পরিত্যাক্ত শিশু। বেবী হোমে আশ্রিত অনাথ শিশুদের কোনদিনই তাদের বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, তাদের অনেকের বাবা-মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। আবার অনেকের বাবা-মায়ের পরিচয়ও জানা নেই। তাই বাবা-মায়ের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার তাদের কোন সুযোগও নেই। তার পরেও পিতৃ-মাতৃ স্নেহে লালন-পালন করা বেবী হোমের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনাথ শিশুদের ঈদের আনন্দ দেয়ার জন্য প্রতিবছরই সাধ্যমতো চেষ্টা করেন।

ছোটমনি নিবাসের তত্ত্বাবধায়ক উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সুশান্ত বালা বলেন, বর্তমানে ছোট মনি নিবাসে বিভিন্ন বয়সের ১৫ জন অনাথ শিশু রয়েছে। ঈদের আগে এসব শিশুদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত নতুন জামা কাপড় দেয়া হয়। ঈদের দিন বিশেষ খাবারের ব্যবস্থাসহ আনন্দ বিনোদনের জন্য দিনভর নানা কর্মসূচী গ্রহন করা হয়। বিভিন্নভাবে চেষ্টার মধ্য দিয়ে এই সকল শিশুদের সকল রকমের বিনোদন দেয়া হয় ঈদের দিনে।