• শুক্রবার   ২০ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৯

  • || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিবেশবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী খালেদাকে পদ্মায় ফেলতে আর ইউনূসকে চুবিয়ে তুলতে বললেন শেখ হাসিনা কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের রিফুয়েলিং পয়েন্ট কক্সবাজারে যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে কউক’র নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে- প্রধানমন্ত্রী ওপেনিংয়ে চতুর্থ সেরা জুটি গড়ে ফিরলেন জয়, তামিমের সেঞ্চুরি সাশ্রয়ী হতে হবে, অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: শেখ হাসিনা দেশের মানুষের শেষ ভরসাস্থল শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির নিরাপদ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি চার দশকেরও বেশি সময় শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আ.লীগ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী টাকা অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে স্পেনের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা

ঘরোয়া সমস্যায় ঘিয়ের যত ব্যবহার

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১২ মে ২০২২  

খাবারে স্বাদ বাড়াতে ঘিয়ের তুলনা নেই। বাংলার বহু রান্নায় ঘিয়ের ব্যবহার খাদ্যরসিক বাঙালির রসনার তৃপ্তি ঘটিয়ে আসছে। পোলাও, বিরিয়ানিতে ঘি একটি অত্যাবশ্যক উপকরণ। এ ছাড়া নানান রকম ভর্তা ও ভাজিতেও ঘি তার চমৎকার গন্ধের জন্য সমাদৃত। শুধু খাবারেই নয়, ঘরোয়া অনেক সমস্যায় দেখা যায় ঘিয়ের নানা ব্যবহার।
দুধ থেকে তৈরি ঘিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ, বিউটারিক অ্যাসিড ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে যা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। ঘিয়ে প্রয়োজনীয় ভিটামিন থাকায় এটি হজমশক্তি বাড়ানো থেকে শুরু করে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

ঘুমানোর সময় এক কাপ গরম দুধে এক বা দুই চামচ ঘি নিলে তা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে বেশ কার্যকর। ঘিয়ে থাকা বিউটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের সমস্যা কমায়। ঘি হজমশক্তি উন্নত করে। সেই সঙ্গে শোষণের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

এ ছাড়াও ঘরোয়া সমস্যা সমাধানে ঘি যেভাবে সহায়তা করে তা তুলে ধরা হলো।

১. ঠান্ডা-সর্দি লাগা খুবই অস্বস্তিকর। ঠান্ডা লাগলে শুধু হাঁচিই হয় না, অনেকের শ্বাস নিতেও সমস্যা হয়। এ ছাড়া মুখের স্বাদ নষ্ট হয়ে যাওয়া ও মাথাব্যথা হয়। এ পরিস্থিতিতে নাকবন্ধ দূর করার অন্যতম সেরা উপায় হচ্ছে কয়েক ফোটা উষ্ণ ঘি নাকের মধ্যে ড্রপের আকারে দেওয়া। এতে শরীরের সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে।

‌২. ঘিয়ে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড ফ্যাটকে একত্রিত করতে এবং ফ্যাট কোষগুলোকে আকারে সংকুচিত করতে সহায়তা করে। এতে থাকা ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের মেদ ঝরাতে সহায়তা করে। ওজন হ্রাস করতে এবং সঠিক হজম ও শোষণ নিশ্চিত করতে প্রতিদিন খাবারে এক চা চামচ ঘি যোগ করতে পারেন।

৩. যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা খাবারে সামান্য ঘি ছড়িয়ে খেতে পারেন। এটি গ্লাইসেমিক সূচককে আরও আর্দ্র করবে। সেই সঙ্গে হজমে ভূমিকা রাখবে।
 
৪. ঘি দীর্ঘদিন ধরেই সৌন্দর্য বাড়ানোর অনুষঙ্গ হিসেবে কাজ করছে। এতে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড নিস্তেজ ত্বকে সজীবতা ফিরিয়ে আনে। ঘি সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী। নরম এবং কোমল ত্বক পেতে ঘি ব্যবহার করতে পারেন।

৫. ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ঘি শুষ্ক চুলের জন্য বেশ উপকারী। এটি চুলের কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এ জন্য দুই টেবিল চামচ ঘি এবং এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন। এরপর ২০ মিনিট রেখে দিন। এই প্যাকটি চুল নরম করতে সাহায্য করবে। খুশকির জন্যও ঘি ও লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।
 
৬. ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে ঘি ব্যবহার করতে পারেন। ঘুমানোর আগে নিয়মিত ঠোঁটে ঘি লাগাতে পারেন। এতে ঠোঁট নমনীয় হয়ে উঠবে।