• সোমবার ২৪ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ১০ ১৪৩১

  • || ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
অনেক হিরার টুকরা ছড়িয়ে আছে, কুড়িয়ে নিতে হবে বারবার ভস্ম থেকে জেগে উঠেছে আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনা টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত: প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র রক্ষায় আ. লীগ নেতাকর্মীদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী আজ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ১০ চুক্তি সই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামীকাল দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে রাজকীয় সংবর্ধনা হাসিনা-মোদী বৈঠক আজ সংলাপের মাধ্যমে বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেয় বঙ্গবন্ধুর চার নীতি এবং বাংলাদেশের চার স্তম্ভ সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার উৎস শুক্রবার ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর: আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে ফিলিস্তিনসহ দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ

একসঙ্গে পাস করলেন মা-মেয়ে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২৪  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে চলতি বছর একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন মা ও মেয়ে। তবে মা নুরুন্নাহার বেগম কারিগরি বিভাগ থেকে এবং মেয়ে চাতলপাড়া ওয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

মা নুরুন্নাহার বেগম বেগম জিপিএ ৪.৫৪ এবং মেয়ে নাসরিন জিপিএ ২.৬৭ পেয়েছেন।

নুরুন্নাহারের বয়স ৪৪ বছর ও নাসরিনের বয়স ১৮ বছর। নুরুন্নাহার বেগম নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়ন পরিষদের (১.২.৩ নং ওয়ার্ডের) সংরক্ষিত সদস্য।

এসএসসি পরীক্ষায় মা ও মেয়ের একসঙ্গে পাস করার ঘটনা এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। লোকজন ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার নুরুন্নাহার বেগমের প্রশংসা করছেন। নুরুন্নাহারের পরিবারেও বইছে আনন্দের বন্যা। স্বজনরা ছুটে আসছেন তাঁর বাড়িতে।

এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে নুরুন্নাহার বেগমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার মেয়েও আমার সাথে পাস করেছে, এতে আমি মহাখুশি। তিনি বলেন, আমি আরও পড়তে চাই। নিজের দুই সন্তানকেও পড়ালেখা শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। পড়াশোনার কোনো বয়স নেই বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় তার বিয়ে হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন ছিলেন রক্ষণশীল। এ অবস্থায় পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারিনি। এক পর্যায়ে মেম্বার নির্বাচিত হই। এ নিয়ে দুইবার মেম্বার। সবার অনুমতি নিয়ে আবার পড়াশুনা করি। কেননা, লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করি।

নুরুন্নাহারের ছোট ভাই স্বপন আহমেদ বলেন, বোনের পাস করার খবরে কি যে খুশি হয়েছি তা বলে বুঝানো যাবে না। একইসঙ্গে ভাগ্নিও পাস করেছে।