• সোমবার ২৪ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ১০ ১৪৩১

  • || ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
অনেক হিরার টুকরা ছড়িয়ে আছে, কুড়িয়ে নিতে হবে বারবার ভস্ম থেকে জেগে উঠেছে আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনা টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত: প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র রক্ষায় আ. লীগ নেতাকর্মীদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী আজ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ১০ চুক্তি সই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামীকাল দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে রাজকীয় সংবর্ধনা হাসিনা-মোদী বৈঠক আজ সংলাপের মাধ্যমে বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেয় বঙ্গবন্ধুর চার নীতি এবং বাংলাদেশের চার স্তম্ভ সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার উৎস শুক্রবার ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর: আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে ফিলিস্তিনসহ দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ

রফতানিতে যুক্ত হচ্ছে নীতিসহায়তা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৬ মে ২০২৪  

রফতানিনীতি (২০২৪-২০২৭)- এর খসড়া অনুমোদন হয়েছে। এতে রফতানির কিছু খাতে প্রণোদনার বিকল্প অন্য নীতিসহায়তা দেওয়ার বিষয়টি যুক্ত হচ্ছে। জানা গেছে, ২০২৪ থেকে ২০২৭ সালের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যে রফতানিনীতি করতে যাচ্ছে, তাতে প্রণোদনা বাদ দিয়ে অন্যান্য নীতিসহায়তা চালুর বিষয়টি রাখা হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রফতানিনীতি (২০২৪-২০২৭)-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়।

মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই নীতি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে। কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ভার্চুয়ালি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের বলেন, নারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের রফতানি খাতে সম্পৃক্ত করতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ রয়েছে।

এতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধান অনুসরণ করে রফতানিকারকদের আর্থিক প্রণোদনার বিকল্প খুঁজতে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০২৪ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময়ের শেষ বছরে ১১০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে রফতানিনীতিতে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, রফতানির ক্ষেত্রে কোন খাতগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে, কোনগুলো দেশের বাইরে ব্র্যান্ডিং করতে হবে, সেই বিষয়গুলো রফতানি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন খসড়াটা অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদন হয়েছে। পরবর্তীকালে মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে এটা পাশ হবে।

খসড়ানীতির উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে— স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ, রফতানির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত রূপকল্প প্রণয়ন, রফতানি খাতে নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের সহায়তা, পরিবেশবান্ধব ও বৃত্তাকার অর্থনীতির কৌশল প্রণয়ন।

এতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়া খাতের মধ্যে সবজি, হস্ত ও কারুপণ্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ উন্নয়নমূলক খাতে স্পিনিং ও ফেব্রিক্স মেনুফ্যাকচারিং, ডায়িং, প্রিন্টিং ও ফিনিশিংকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ওষুধশিল্প ও মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট, হস্তশিল্পকে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। রফতানি নিষিদ্ধ পণ্যতালিকা ও শর্তসাপেক্ষে রফতানি পণ্যের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত বৈঠকে টিসিবির খোলা বাজার থেকে পণ্য কেনার সুযোগ আরো এক বছর বাড়ানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যখন জরুরি প্রয়োজন হয়, তখন সরকার টিসিবির মাধ্যমে চাল, ডাল ও অন্যান্য নিত্যপণ্য কেনাকাটা করে। এটা সরকারি ক্রয়কমিটির পূর্বানুমতির প্রয়োজন হয়। জরুরি প্রয়োজনে যেন টিসিবি ক্রয়কমিটি এড়িয়ে সরাসরি পণ্য কিনতে পারে, সেই ধরনের একটা সুযোগ অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত কমিটি দিয়েছিল।   

তবে সেই সুযোগ আগামী ২৬ মের পর শেষ হয়ে যাবে। এখন যে ১ কোটি পরিবারকে চাল ডাল তেল দিচ্ছে। ফলে পরবর্তী এক বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ৩০ জুন ২০২৫ সাল পর্যন্ত টিসিবি সরাসরি পণ্য কিনতে পারবে।

অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের জন্য কানাডা, কাতার, সৌদি আরব এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান কাফকো থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টন সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

এতে খরচ হবে ৬৩২ কোটি ৭২ লাখ ২২ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৯০ হাজার টন ইউরিয়া, ৪০ হাজার টন এমওপি এবং ৪০ হাজার টন ডিএপি সার রয়েছে।

সভায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১০১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ধরা হয়েছে ১০১ টাকা ৯৪ পয়সা।

অন্য এক প্রস্তাবে বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের কাছ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮২ কোটি ৪০ লাখ টাকা।