• রোববার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১ ১৪৩০

  • || ০৪ শাওয়াল ১৪৪৫

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
আ.লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে, আর বিএনপি আসে নিতে: প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোর অপরাধীদের মোকাবেলায় বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের প্রতি বিএনপির কোনো দায়বদ্ধতা নেই : ওবায়দুল কাদের ব্রাজিলকে সরাসরি তৈরি পোশাক নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাইয়ে ব্রাজিল সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী আদর্শ নাগরিক গড়তে প্রশংসনীয় কাজ করেছে স্কাউটস: প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় স্কাউট আন্দোলনকে বেগবান করার আহ্বান তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইলাতুল কদর মানবজাতির অত্যন্ত বরকত ও পুণ্যময় রজনি শবে কদর রজনিতে দেশ ও মুসলিম জাহানের কল্যাণ কামনা প্রধানমন্ত্রীর সেবা দিলে ভবিষ্যতে ভোট নিয়ে চিন্তা থাকবে না জনপ্রতিনিধিদের জনসেবায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে পারলে ভোটের চিন্তা থাকবে না দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ফলে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে প্রেসিডেন্টকে শেখ হাসিনার চিঠি রূপপুরে আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আহ্বান

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে স্থান পাবেন না ঋণখেলাপিরা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলা‌পিদের বিষয়ে আরও কঠোর হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাঁরা যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্য হতে না পারেন এবং রাষ্ট্রীয় পদক বা সম্মাননা ও ভিআইপি সুবিধা না পান, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে নতুন একটি নীতিমালা প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন চলছে কার্যবিধি প্রণয়নের কাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি অর্থবছরের শেষের দিকে এই নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সূত্র জানিয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক বলেন, ‘উচ্চ ঋণখেলাপি একটি জাতীয় সমস্যা। এর নেপথ্যে ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া ছাড়া উপায় নেই। এ নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। কার্যবিধি প্রস্তুত হলে তা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। তারপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ইচ্ছাকৃত খেলাপি চিহ্নিত করবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। আর ব্যাংকগুলোকে সার্বিক সহযোগিতা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা। যদিও ২০০৯ সালে দেশে মোট খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের তথ্য আন্তর্জাতিক মানের নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এখানে অনেক তথ্য গোপন করা হয়। খেলাপি কম দেখাতে ঋণ পুনঃ তফসিল, পুনর্গঠন ও ঋণ অবলোপন করার তথ্য দেওয়া হয় না। পাশাপাশি বিশেষ ছাড় দিয়ে খেলাপি ঋণ কম দেখানো হয়। আদালতে আটকা মামলার তথ্য খেলাপিতে দেখানো হয় না। এসব বিষয়ে ছাড় দিলে একটা পর্যায়ে ব্যাংক খাতে ধস নামবে।’খেলা

পি ঋণ আদায়ে এরই মধ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই ধারাবাহিকতায় ১১ দফা রোডম্যাপও ঘোষণা ক‌রা হয়েছে। এখন কো‌নো গ্রাহক ঋণ নি‌য়মিত প‌রি‌শোধ না কর‌লে তাঁকে ইচ্ছাকৃত খেলা‌পি হিসেবে চি‌হ্নিত করা হ‌বে।  

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু ফরাহ মো. নাছের এক অনুষ্ঠানে জানান,  খেলা‌পিদের ‌বিভি‌ন্ন সু‌বিধা থে‌কে ব‌ঞ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে খেলাপিরা জ‌মি, বা‌ড়ি ও গা‌ড়ি কিন‌তে পারবেন না। একই সঙ্গে নতুন ব্যবসা কিংবা কোম্পানি খুল‌তেও সুযোগ পাবেন না তাঁরা।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির বিষয়টি হঠাৎ করে সৃষ্ট কোনো সমস্যা নয়, দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা সমস্যার ধারাবাহিকতা মাত্র। কয়েক বছর ধরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। এর মূলে রয়েছে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণ। এ ধরনের গ্রাহকের ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য রয়েছে। কিন্তু ইচ্ছা করে ঋণ শোধ করছেন না। তাঁদের কোমরের জোর অনেক বেশি। এটা উচ্চপর্যায় থেকে না করলে কিছু হবে না। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মোক্ষম সময় চলছে।