• বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ১১ ১৪৩১

  • || ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ড. ইউনূস কর ফাঁকি দিয়েছেন, তা আদালতে প্রমাণিত: প্রধানমন্ত্রী ‘শেখ হাসিনা দেশ বিক্রি করে না’ অভিন্ন নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার পথ নিয়ে আলোচনা করেছি সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে বহুমাত্রিক করেছে: প্রধানমন্ত্রী অনেক হিরার টুকরা ছড়িয়ে আছে, কুড়িয়ে নিতে হবে বারবার ভস্ম থেকে জেগে উঠেছে আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনা টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত: প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র রক্ষায় আ. লীগ নেতাকর্মীদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী আজ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ১০ চুক্তি সই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামীকাল দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনাকে রাজকীয় সংবর্ধনা হাসিনা-মোদী বৈঠক আজ সংলাপের মাধ্যমে বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেয় বঙ্গবন্ধুর চার নীতি এবং বাংলাদেশের চার স্তম্ভ সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার উৎস শুক্রবার ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর দেড় কিলোমিটার অংশ দৃশ্যমান

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৭ জুন ২০২৩  

যমুনা নদীর বুক চিরে দ্রতগতিতে এগিয়ে চলছে দেশের দীর্ঘতম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলসেতুর নির্মাণকাজ। রাত-দিন দেশি-বিদেশি প্রকৌশলী ও কর্মীদের পরিশ্রমে এগিয়ে চলেছে এই নির্মাণযজ্ঞ। মূল সেতুর ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটারের মধ্যে এখন যমুনার বুকে দৃশ্যমান প্রায় দেড় কিলোমিটার। আর ৪৯টি স্প্যানের মধ্যে বসানো হয়েছে ১৬টি।

সেতুর মূল কাঠামোর সঙ্গে নদীর দুই পাড়ে সমান তালে এগিয়ে চলছে সংযোগ রেলপথ নির্মাণের কাজও। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রেলসেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান।
 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী তানবিরুল ইসলাম জানান, মোট ৫০টি পিলার আর ৪৯টি স্প্যানে নির্মিত হবে দেশের দীর্ঘতম ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাকের এই রেলসেতু। এরই মধ্যে সব কটি পিলারের পাইলিং কাজ শেষ হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০টি পিলার ও ১৬টি স্প্যানের নির্মাণকাজও শেষ হয়েছে। ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার থেকে আনা বিশেষভাবে তৈরি মরিচারোধী বড় বড় স্টিলের কাঠামো দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে সেতুর স্প্যান।

প্রকল্পের বাঁধ ও রেলপথ প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন জানান, রেলসেতুর মূল কাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি নদীর দুপাড়ে সমান তালে এগিয়ে চলছে অ্যাপ্রোচ রেলপথ নির্মাণের কাজ। এরই মধ্যে দুপাড়ে ৮ কিলোমিটার রেলপথে মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। এখন রেলট্র্যাক বসানোর কাজ চলছে।

আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান জানান, যমুনার নদীর দুই পাড়ে দুটি প্যাকেজে সেতুর নির্মাণকাজ চলছে। সেতুর টাঙ্গাইল অংশে এখন পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৭৬ শতাংশ আর সিরাজগঞ্জ অংশে ৫৬ শতাংশ। নির্ধারিত সময়েই এর নির্মাণকাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি।
 
আর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই রেল সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল করতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক। জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে দেশের দীর্ঘতম এই রেলসেতু প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে জাইকা। সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা।