• মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪৩১

  • || ১২ জ্বিলকদ ১৪৪৫

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক রাইসি-আমির আব্দুল্লাহিয়ান মারা গেছেন: ইরানি সংবাদমাধ্যম সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতে কাজ করছে বিএসটিআই: প্রধানমন্ত্রী চাকরির পেছনে না ছুটে যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান ‘সামান্য কেমিক্যালের পয়সা বাঁচাতে দেশের সর্বনাশ করবেন না’ কেউ হতাশ হবেন না: প্রধানমন্ত্রী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির আহতদের চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নের জন্য কার্যকর জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা চান প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ক্ষমতায় এসে সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয় চমক রেখে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার তিন গুরুত্বপূর্ণ সফর: প্রস্তুতি নিচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ এআইকে স্বাগত জানায় তবে অপব্যবহার রোধে পদক্ষেপ নিতে হবে ছেলেরা কেন কিশোর গ্যাংয়ে জড়াচ্ছে কারণ খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রেস্তোরাঁয় মদ না পেয়ে ‘তাণ্ডব চালান’ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২৪  

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মংনেথোয়াই ও তার স্ত্রী ভাতের সঙ্গে মদ না পেয়ে বান্দরবান শহরের একটি রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে রেস্তোরাঁর মালিকের স্ত্রী, শিশুসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাতে বান্দরবান শহরের মধ্যমপাড়ার তোহজাহ রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে।

একটি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ছিল বর্ষবরণ উৎসব সাংগ্রাইয়ের দ্বিতীয় দিন। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মংনিথোয়াই স্ত্রী ও কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে তোহজাহ রেস্তোরাঁয় ঢুকে ভাতের সঙ্গে মদ দিতে বলেন। রেস্তোরাঁর মালিক শোয়েসাই মং তাদের ভাত দিতে দেরি হবে এবং মদ দিতে পারবেন না বলে জানান। এতে চটে যান মংনিথোয়াই ও তার স্ত্রী। এসময় তার স্ত্রী বলেন, আমি অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বউ, মদ এখনই দিতে হবে। না হলে দোকান বন্ধ করে দেব। এ কথা বলার পর তারা হইচই শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা রেস্তোরাঁর মালিক ও তার স্ত্রীকে মারধর শুরু করেন। এসময় রেস্তোরাঁর মালিকের স্ত্রীর কোলে থাকা শিশুটি মাটিতে পড়ে গিয়ে আহত হয়। মারধর থামাতে গিয়ে বেশ কয়েকজন জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাতেই বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে রেস্তোরাঁটি বন্ধ করে দেয়।

এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন রেস্তোরাঁর মালিক শোয়েসাই মং (৩২), তার স্ত্রী উম্যাশৈ (২৫), তাদের দুই বছরের সন্তান উখ্যাই, ভাই খিংসাই মং (৩৬) ও মা পাইনুচিং (৬৫)।

বান্দরবান সদর হাসপাতালের চিকিৎসক দিদার বলেন, আহতদের শরীরে কামড়ের দাগ রয়েছে। তাছাড়া হাত-মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, আমরা তাদের চিকিৎসা দিয়েছি।

এদিকে এ ঘটনা ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বান্দরবানে আলোচনার ঝড় ওঠে। অনেকে এটাকে একজন পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতার অপব্যবহার আখ্যা দিয়ে এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এদিকে এ ঘটনায় বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে দুই পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। এ বিষয়ে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী দাবি করেন, গতকালের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি আজ পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষে দুই পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধান করা হয়েছে।

এদিকে রেস্তোরাঁর মালিকের ভাই জসাই মারমা জানান, সকালে মীমাংসার জন্য জেলা পরিষদে বসলেও সঠিক বিচার আমরা পাইনি, তাই আমরা আমাদের অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে আদালতের কাছে এ ঘটনার বিচার চাইব।