• শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৭ ১৪৩০

  • || ১৯ শা'বান ১৪৪৫

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
নতুন নতুন অপরাধ দমনে পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ ‘কোনো একটি জিনিস না খেলে রোজা হবে না, এ মানসিকতা পাল্টাতে হবে’ পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকারের পাশাপাশি জনগণেরও নজরদারি চাই রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে পুলিশকে জনগণের বন্ধু হয়ে নিঃস্বার্থ সেবা দেয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতি বিশ্বের সম্ভাব্য সকল স্থানে রপ্তানি বাজার ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার পুলিশ জনগণের বন্ধু, সে কথা মাথায় রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হবে অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, পুলিশকেও সেভাবে আধুনিক হতে হবে পুলিশ সপ্তাহ শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের পরীক্ষায় বারবার উত্তীর্ণ হয়েছে পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন: জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম কেউ যেন ভুয়া ক্লিনিক-চিকিৎসকের দ্বারা প্রতারিত না হন: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার বিভাগে বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারকে মাটি-মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়তে হবে শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরই এদেশে হত্যার রাজনীতি শুরু হয়

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০২৩  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরই এদেশে হত্যার রাজনীতি শুরু হয়। জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, গণতন্ত্রের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগ্রাম করে গেছে। আর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়েই আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে।

 

নির্বাচনে অবৈধভাবে জেতার জন্য, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নামে জনগণের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলটির সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভার সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান হ্যাঁ/না ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের নামে দেশে প্রহসন করেছিল ৷ গণতন্ত্রের নামে তারা দেশের মানুষকে ধোঁকা দিয়েছিল৷ বিএনপির জন্মই মিলিটারি ডিক্টেটরের হাত ধরে৷ নির্বাচনে অবৈধভাবে জেতার জন্য, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নামে জনগণের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলেছে৷ ভোটাধিকার মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

এক সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে থাকা নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন করতে আওয়ামী লীগ সরকার আইন করে দিয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, যার অধীনে এখন দেশে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার ভুয়া ভোট মেনে নেয়নি দেশের মানুষ; তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। জিয়ার জন্ম কলকাতায়, এরশাদেরও ভারতে, খালেদা জিয়ার জন্মও ভারতে, সেই হিসেবে দেখেন, এই মাটির সন্তান হিসেবে আমাদের চেয়ে দরদ আর কারো বেশি হতে পারে না৷

জনগণের গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময় চায় দেশে গণতন্ত্র থাকুক৷ বিএনপিকে সব সুযোগ সুবিধা দেয়া হয়েছে, কিন্তু তাদের শাসনামলে আমরা সেটা পাইনি৷

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতির সুযোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা হয়েছিল৷ বিদেশি যারা এখন বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে অনেক মাথা ঘামাচ্ছেন; তারা তো অতীতের এসব নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন না৷

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের ষড়যন্ত্র করেও পেরে ওঠেনি, কারণ জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিল৷ মানুষ ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে, সঠিক ভোটটিই দেয়৷ দেশে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি আছে৷ বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলেও আওয়ামী লীগের শক্তি দেশের জনগণ।

তিনি বলেন, আমরা যখন জনগণের জন্য কাজ করছি, ঠিক তখন আবারও ২০১৩ সালের মতো জ্বালাও-পোড়াওয়ের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। জ্বালাও-পোড়াওয়ের মাধ্যমে তারা নির্বাচনেই আসছে না৷ কারণ তারা জনগণের ওপর আস্থা রাখে না৷ ২০১৪ সালে আত্মবিশ্বাস ছিল না বলেই জ্বালাও-পোড়াও করে তারা নির্বাচনে আসেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে অপবাদ দিলেও কেউ এখন পর্যন্ত অনিয়মের একটিও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেখাতে পারেনি।

সন্ত্রাসী দল বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে নিজেরা আইন হাতে তুলে নেবেন না৷ জনগণ ধরা শুরু করলে, ওই মুষ্টিমেয়রা ঠাঁই পাবে না৷
শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ৩০০ সংসদীয় আসনে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। প্রথম দিনের বৈঠকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।

সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য যারা:

আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন সভাপতি হিসেবে রয়েছেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, কাজী জাফর উল্লাহ, রমেশ চন্দ্র সেন, ওবায়দুল কাদের, মো. রশিদুল আলম ও দীপু মনি।