• রোববার   ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৩ ১৪২৯

  • || ১৩ রজব ১৪৪৪

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
অন্যের কাছে আমরা হাত পাতবো না: প্রধানমন্ত্রী এখন কেউ আর কুঁড়েঘরে বাস করে না: প্রধানমন্ত্রী এখন আর হাওয়া ভবনে ‘পাওয়া’ দিতে হয় না- প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ড বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে দেড়শ শতাংশ, মনে রাখতে হবে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী ক্রয়মূল্য দিলে সবক্ষেত্রে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব লাইব্রেরিতে পড়াশোনার পরিবেশ তৈরিতে মনোযোগী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়ায়: রাষ্ট্রপতি সবাইকে আইনানুযায়ী রাজস্ব প্রদানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাজস্ব আদায় বাড়াতে আরও উদ্যমী হোন, এনবিআরকে প্রধানমন্ত্রী সমৃদ্ধ রাজস্ব ভাণ্ডার গড়ে তোলার ওপর প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার মার্চে কাতার যাবেন প্রধানমন্ত্রী, সেপ্টেম্বরে ভারত সফরের সম্ভাবনা অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি কেউ রুখতে পারবে না জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ থেকে দিনে দিনে মুছে যাচ্ছে তারার ঝাঁক!

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২৩  

আকাশ থেকে দিনে দিনে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে একের পর এক তারা! ১৯৫৩ সালে লেখা বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখক আর্থার সি ক্লার্কের ছোটগল্প ‘দ্য নাইন বিলিয়ন নেমস অফ গড’-এর কথা মনে পড়ে যেতে পারে। তাহলে কী বিশ্বের ধ্বংস আসন্ন? না, তারাদের অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার বিষয়টা ঠিক ক্লার্কের গল্পের মতো মহাপ্রলয়ের ইঙ্গিতবাহী নয়। নক্ষত্ররা তাদের স্থানে ঠিকই রয়েছে। কিন্তু পৃথিবী থেকে কমে যাচ্ছে তাদের দৃশ্যমানতা। এবং সেটাও যথেষ্ট আশঙ্কার জন্মই দিচ্ছে।

বিখ্যাত জার্নাল ‘সায়েন্স’-এ প্রকাশিত হয়েছে একটি রচনা। তার নাম ‘সিটিজেন সায়েন্টিস রিপোর্ট গ্লোবাল র‌্যাপিড রিডাকশনস ইন দ্য ভিজিবিলিটি অফ স্টার্স ফ্রম ২০১১ টু ২০২২’। গবেষকদের দাবি, প্রতি বছর ১০ শতাংশ করে বেড়ে যাচ্ছে আকাশের উজ্জ্বলতা! এই উজ্জ্বলতার কারণ দূষণ। আর সেই কারণেই অন্ধকার আকাশ থেকে মুছে যাচ্ছে তারার ঝাঁক।

বলা হচ্ছে, একটি শিশু জন্মানোর সময় যদি আকাশে ২৫০টি তারা থাকে, তাহলে অষ্টাদশতম জন্মদিনে সে আকাশের দিকে তাকালে দেখতে পাবে ১০০টি তারা! পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ। তাই সতর্ক করছেন বিজ্ঞানীরা।

২০১১ সাল থেকে ২০২২- এই সময়কালে ৫০ হাজারেরও বেশি পর্যবেক্ষণকে খতিয়ে দেখে যে ছবিটা খুঁজে পাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা, তাতে আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। গবেষকরা চেষ্টা করেছেন প্রাপ্ত তথ্য খতিয়ে দেখে আকাশের এই দ্রুত বাড়তে থাকা উজ্জ্বলতার গভীরে যাওয়ার। আর যত তারা গবেষণা এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তত পরিষ্কার হয়েছে দূষণের প্রভাব কীভাবে পড়ছে আকাশেও!

কাজেই এই বিষয়টিতে নিয়মিত নজরদারি চালানোর প্রয়োজনীয়তার পক্ষে সওয়াল করছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে আলোর দূষণের দিকটি খতিয়ে দেখা দরকার। কেননা তা কমছে না, বরং উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। রাতের আকাশে তারাদের দেখতে না পাওয়া পৃথিবীর জীবজগতের অস্তিত্বের বিপণ্ণতাকেও তুলে ধরছে। তাই এই তথ্যে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন গবেষকরা।