• সোমবার   ২৭ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৩ ১৪২৯

  • || ২৬ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
স্বপ্নজয়ের পর অপার সম্ভাবনার হাতছানি পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রীকে এশিয়ার পাঁচ দেশের অভিনন্দন ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের উন্নতির জন্য নিজের জীবন দেয়ার ওয়াদা- প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর ওপর হাজারো মানুষের ঢল ‘আছে শুধু ভালোবাসা, দিয়ে গেলাম তাই’ শিবচরের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ: পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন কংক্রিটের অবকাঠামো নয়, পদ্মা সেতু আমাদের অহংকার: প্রধানমন্ত্রী এ সেতু স্পর্ধিত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী ৪২টি পিলার বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার ভিত: প্রধানমন্ত্রী ‘সর্বনাশা’ থেকে ‘সর্বআশা’ পদ্মা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু পদ্মার বুক চিরে বাংলাদেশের ‘সাহস’ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেশের জন্য গৌরবোজ্জ্বল ও ঐতিহাসিক দিন

নবী-রাসুলের মুজিজা কী ও কেন

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২২  

মুজিজা বা কারামত হলো নবি-রাসুল-অলিদের প্রতি আল্লাহ তাআলার একান্ত অনুগ্রহ। আল্লাহ তাআলা ইসলামের প্রয়োজনে তার ইচ্ছামাফিক এই ক্ষমতা নবী-রাসুল বা অলিদের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এটি ব্যক্তিবিশেষকে দেখানো বা ক্ষমতা জাহির করার কোনো বিষয় নয়। নবী-রাসুল থেকে প্রকাশিত অলৌকিক বিষয়াবলিকে মুজিজা বলা হয়। আর নবী-রাসুল ব্যতীত অন্যদের থেকে প্রকাশিত অলৌকিক বা আশ্চর্যজনক ঘটনাকে কারামত বলা হয়।

মুজিজা আরবি শব্দ। এর অর্থ অভিভূতকারী। বস্তুত অলৌকিক কোনো কাজের পারিভাষিক শব্দরূপে মুজিজা শব্দটি ব্যবহৃত হয়। মুজিজা হলো নবী-রাসুলের নিজস্ব দাবির সমর্থনে এমন অলৌকিক ও আশ্চর্য ঘটনা ঘটিয়ে দেখানো, যা নবী-রাসুল ব্যতীত অন্য কারও পক্ষে ঘটানো আদৌ সম্ভব নয়। নবী-রাসুলের বাইরে কামেল বুজুর্গদের মাধ্যমে অলৌকিক কার্য সম্পাদন হলে তাকে বলা হয় কারামাত।

মুজিজা মূলত নবী-রাসুলের সত্যতা প্রমাণের জন্য আল্লাহর সাক্ষ্য। বিষয়টি এভাবেও বলা যায়, যিনি নিজেকে আল্লাহর নবী দাবি করেন, তার সত্যতা প্রমাণ করাই মুজিজার উদ্দেশ্য। আল্লাহ তাআলা নবী ও রাসুলদের বিভিন্ন মোজেজা দান করেছেন। যেমন: মুসা (আ.)-এর লাঠি সাপ হয়ে যেত, ঈসা (আ.) মৃতকে জীবিত করতে পারতেন। হজরত সুলাইমান (আ.) বাতাসকে বশীকরণ করতে পারতেন। তিনি পাখি ও পিঁপড়ার ভাষাও বুঝতেন। জিনদের দিয়ে কাজ করাতেন।

বিশ্ব নবী হজরত মুহাম্মদও (সা.) ছিলেন অসংখ্য মোজেজার অধিকারী। মুহাম্মদ (সা.)-এর অলৌকিক ঘটনাসমূহ বলতে সেসব অতিপ্রাকৃত তথা সূত্রবিহীন ঘটনাবলিকেই বোঝানো হয়, যেগুলো নবীজির জীবদ্দশায় সংঘটিত হয়েছে। তবে নবীজির মোজেজার প্রকৃত সংখ্যা কত, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। এ প্রসঙ্গে ইমাম বায়হাকী বলেন, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিজা ছিল এক হাজার। অন্যদিকে ইমাম নববী মুহাম্মাদের মতে, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিজা হলো ১ হাজার ২০০। আবার অনেক মনীষী বলেন, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিজা ছিল ৩ হাজার।

বর্তমানে কারো পক্ষে মুজিজা প্রদর্শন করা সম্ভব নয়। কেউ আশ্চর্যজনক কিছু করলে বা করে দেখালে সেটা হবে তার কারামত। কারণ, মুজিজা নবী-রাসুলদের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেহেতু দুনিয়ায় নবী আগমনের ধারা বন্ধ হয়ে গেছে, তাই মুজিজাও বন্ধ হয়ে গেছে।