• সোমবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১০ ১৪২৮

  • || ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
করোনায় ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন শহীদ আসাদ দিবস আজ ‘বাংলাদেশকে আর কেউ অবহেলা করতে পারবে না’ সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে চুপ থাকবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী করোনা: ১২ জেলাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়তে ডিসিদের প্রতি নির্দেশ ভয়-লোভের ঊর্ধ্বে থাকুন, ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ২৪ দফা নির্দেশনা ‘শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ভিক্ষা করবে আমি দেখতে চাই না’ ওমিক্রনে মৃত্যু বাড়ছে, সচেতন থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সেবা নিতে এসে মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন: প্রধানমন্ত্রী তৃণমূলের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ইসির সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব আওয়ামী লীগের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির ইসি গঠনে আইনের খসড়া অনুমোদন মন্ত্রিসভায় জঙ্গিবাদ নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিকেলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আ’লীগের সংলাপ নৌকায় ভোট দিয়েই রংপুর মঙ্গামুক্ত: প্রধানমন্ত্রী

নামাজের জামাত ছেড়ে দেওয়ার ক্ষতি

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২২  

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো নামাজের জামাত ছেড়ে দেননি। কিন্তু জামাতে নামাজ পড়ার প্রতি তিনি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। জামাতে নামাজ পড়া ছেড়ে দিলে অনেক কল্যাণ, হেকমত বঞ্চিত হতে হয়। এমনকি নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণও হয় না। এ কারণে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জামাত ছেড়ে দেওয়ার মারাত্মক ক্ষতির কথা তুলে ধরেছেন হাদিসের একাধিক বর্ণনায়।

১. নবিজীর হেদায়াত থেকে বঞ্চিত

জামাতেই আদায় করা জরুরি। জামাতে নামাজ না পড়াকে হেদায়াত ও সুন্নাতের অনুসরণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার কথা বলেছেন বিশ্বনবি। হাদিসে এসেছে-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘হে মুসলমানগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য সুনানে হুদা বা হেদায়াতের পন্থা নির্ধারিত করে দিয়েছেন। আর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে মসজিদে আদায় করাই হচ্ছে সুনানে হুদা। তোমরা যদি তোমাদের ঘরে নামাজ আদায় করা শুরু কর, যেমন অমুক ব্যক্তি জামাত ছেড়ে ঘরে নামাজ আদায় করে; তাহলে তোমরা তোমাদের নবির সুন্নাত ছেড়ে দিলে। যদি তোমরা নবির সুন্নাত ছেড়ে দাও, তাহলে হেদায়াতের পথ থেকে তোমরা বিচ্যুত হয়ে পড়বে।’ (মুসলিম, মিশকাত)

২. বিনা ওজরে একাকি নামাজ কবুল হবে না

আজান শোনার পর কোনো ওজর ছাড়া একাকি নামাজ পড়লে তা কবুল হবে না। হাদিসে এসেছে-

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আজান শোনার পর জামাতে নামাজ আদায় করতে উপস্থিত না হয় এবং তার না আসার কোনো ওজরও না থাকে; আর এ অবস্থায় সে যে নামাজ পড়ে; সে নামাজ কবুল হবে না। এক  সাহাবি জানতে চাইলেন, ওজর বলতে কী বোঝায়? উত্তরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘ভয় অথবা অসুস্থতা’। (আবু দাউদ)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করা। ওজর না থাকলে জামাত ছেড়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকা। জামাতের সঙ্গে নামাজ পড়ে সুন্নাতের অনুসরণ ও কল্যাণের পথে অগ্রসর হওয়া।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জামাতে নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। সুন্নাতের অনুসরণ ও কল্যাণ পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।