• বুধবার   ০৪ আগস্ট ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ২০ ১৪২৮

  • || ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
দোকানপাট খুলবে ১১ আগস্ট কিছু বেইমান-মুনাফেকের জন্য তার দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠন সম্ভব হয়নি নিম্ন আয়ের মানুষও আমাদের প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী মুজিবের দেশে প্রতিটি মানুষ সুন্দর ও উন্নত জীবন পাবে জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বস্তিবাসীদের আধুনিক ফ্ল্যাট দিলেন প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় ষড়যন্ত্রকারী কারা, ঠিকই আবিষ্কার হবে’ ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে খালেদা জিয়া’ দেশের নাম বদলে দিতে চেয়েছিল পঁচাত্তরের খুনি চক্র: প্রধানমন্ত্রী এক সময় নিজেই রক্তদান করতাম: প্রধানমন্ত্রী হত্যার বিচার করেছি, ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা এখনও আবিষ্কার হয়নি শোকের মাস আগস্ট শুরু একনেক বৈঠক শুরু, অনুমোদন হতে পারে ১০ প্রকল্প করোনা টেস্টে গ্রামীণ জনগণের ভীতি নিরসনে কাজ করতে হবে জয়ের কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার শিখেছি : প্রধানমন্ত্রী মানুষকে ব্যাপকভাবে ভ্যাকসিন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদন হবে দেশেই: শেখ হাসিনা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ করোনা মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীসহ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

কোরবানি যার জন্য ওয়াজিব, করতে না পারলে করণীয়

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০২১  

ইসলামে কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআন ও হাদিসে এর গুরুত্ব অপরিসীম। হজরত মুহাম্মদ (সা.) হিজরতের পর প্রতি বছর কোরবানি করেছেন। তিনি কখনো কোরবানি পরিত্যাগ করেননি; বরং কোরবানি পরিত্যাগকারীদের ওপর অভিসম্পাত করেছেন।

মহান আল্লাহ তায়ালা সুরা হজ্জে ইরশাদ করেন : ‘আমি প্রত্যেক উম্মাতের জন্য কুরবানির বিধান রেখেছি।’ (সুরা হজ্জ : আয়াত ৩৪) অন্যদিকে সূরা কাউছারে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশে সালাত আদায় করো এবং কোরবানি করো।’ (সূরা কাওসার, আয়াত-২)

কা‌দের ওপর কোরবানি ওয়াজিব

স্বাভাবিক জ্ঞানসম্পন্ন, প্রাপ্তবয়স্ক, মুসলিম যদি ‘নিসাব’ পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকেন, তাদের পক্ষ থেকে একটি কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব বা আবশ্যক। একটি কোরবানি হলো একটি ছাগল, একটি ভেড়া বা একটি দুম্বা অথবা গরু, মহিষ ও উটের সাত ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ একটি গরু, মহিষ বা উট সাতজন শরিক হয়ে বা সাত নামে অর্থাৎ সাতজনের পক্ষ থেকে কোরবানি করা যায়।

অর্থ-কড়ি, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, গহনা-অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির অতিরিক্ত জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

আর নেসাব হল সোনার ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। আর টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো- এগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া (টাকার অংকে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা)।

আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানি: ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

যা মনে রাখা উচিত

পাগল ব্যক্তির কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলেও তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে না। তাছাড়া অনেকের ওপর জাকাত ওয়াজিব নয়, কিন্তু তারা ঋণ করে হলেও কোরবানি করে থাকেন, এমনটি অনুচিত।

প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য নিজের পক্ষ থেকে কোরবানি করা ওয়াজিব। তার স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও বাবা-মায়ের পক্ষ থেকে কোরবানি করা ওয়াজিব নয়। যার ওপর কোরবানি ওয়াজিব নয়, সে কোরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করলে সে পশু কোরবানি করা তার ওপর ওয়াজিব হয়ে যায়।

যার ওপর কোরবানি ওয়াজিব, সে যদি কোনো কারণবশত কোরবানি না করে, তাহলে কোরবানির দিনগুলো চলে যাওয়ার পর একটি বকরির মূল্য সদকা করা ওয়াজিব।

আর যদি পশু ক্রয় করেছিল, কিন্তু কোনো কারণে কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাহলে ওই পশু জীবিত সদকা করে দেবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৪; ফাতাওয়া কাজিখান: ৩/৩৪৫)