• সোমবার   ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ রজব ১৪৪৪

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
দেশের ব্যাপক উন্নয়ন বিবেচনায় নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলেই মানুষের উন্নতি হয়: প্রধানমন্ত্রী আমি জোর করে দেশে ফিরেছিলাম, আ.লীগ পালায় না: শেখ হাসিনা আজ ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিন: প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস রুখে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে পুলিশ সারদায় কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত রাজশাহী প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহীবাসী, ব্যাপক জনসমাগমের প্রস্তুতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের মূল চাবিকাঠি ডিজিটাল সংযোগ সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আপনি কি আল্লাহর ফেরেস্তা, ফখরুলকে কাদেরের প্রশ্ন কাউকে সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কাস্টমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে একাত্তরে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমার ব্যর্থতা থাকলে খুঁজে বের করে দিন: প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধের মূল হোতা জিয়াউর রহমান 

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০২২  

মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পলাশীর যড়যন্ত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে মীরজাফর খন্দকার মোস্তাকের প্রধান সেনাপতি জিয়াউর রহমানের বিশ্বাস ঘাতকতায় ৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। সেদিন দশ বছরের শিশু শেখ রাসেলকেও তারা ছাড় দেয়নি। কারবালায়ও নারী-শিশু হত্যা হয়নি। অথচ ৭৫-এ সেদিন শিশু, নারী এমনকি অন্ত:সত্বা নারীকেও হত্যা করা হয়েছিল। ৭৫-এর পর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, জয়বাংলা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার আদর্শ সব কিছুই নিষিদ্ধের মূল হোতা ছিলেন জিয়াউর রহমান।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সোমবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে জামালপুর জিলা স্কুল মাঠে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, সেই জিয়াউর রহমানের সন্তান তারেক রহমান শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে গ্রেনেড হামলার সেই মাস্টার মাইন্ড নেতৃত্ব দিয়েছিল হাওয়া ভবন থেকে। বিদেশে অর্থ পাচারকারী তারেক রহমানের কত টাকা আছে কেউ জানে না। বিদেশের মাটিতে তার কতগুলো বিলাসবহুল বাড়ি ও মার্কেট আছে এর কোন হিসাব নেই। সুইচ ব্যাংক, সিঙ্গাপুর ও আমেরিকায় ধরা পড়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা। ঢাকায় এসে এফবিআই তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। সেই মামলায় তারেকের সাত বছরের জেল হয়েছে। সেই অর্থপাচারকারী তারেক রহমানই এখন মির্জা ফখরুলের নেতা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা আবার ফেসবুকে ছড়ায় ডিসেম্বরের ১১ তারিখে নাকি তারেক জিয়া ইমাম খোমেনী স্টাইলে ঢাকায় এরারপোর্টে আসছে। ওই খুনিকে কেউ বিশ্বাস করে না। আজকে ওই নাম শুনলে দেশের মানুষ ভয় পায়। বড় লোকদের বাড়িতে বিদেশি জাতের কুকুর থাকে। ওই বাড়ির সামনে লেখা থাকে ‘কুকুর থেকে সাবধান’। বাংলাদেশের জণগণকে বলি তারেক রহমান থেকে সাবধান থাকুন।

মির্জা ফখরুলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, খেলা হবে তৈরি আছেন তো? ১০ ডিসেম্বর খেলা হবে। আগামী নির্বাচনে খেলা হবে। আন্দোলনে খেলা হবে। বিএনপি মিটিং করুক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এটা আমরা চাই। এ জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছাত্রলীগের সম্মেলন এগিয়ে ৬ তারিখে এনেছি। মারামারি, পাল্টাপাল্টি, কোন বাঁধা বিপত্তি নয়। আপনারা আগুন আর লাঠি নিয়ে আসলে খেলা হবে। আপনারা আগুন আর লাঠি নিয়ে খেলা করবেন আর আমাদের নেতারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ললিপপ চুষবে এটা হবে না।

রাজনীতির খেলার মাঠে আমরা প্রস্তুত আছি। হ্যামিলনের বংশীবাদকের কাহিনি টেনে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল বলেন, ১০ তারিখে নাকি বাঁশিতে ফু দিবেন। অভ্যূত্থান শুরু হয়ে যাবে। অভ্যূত্থানে এই সরকারের নাকি পতন হবে। আপনাদের মনে রাখা দরকার, জার্মানীর হ্যামিলনের সেই বংশীবাদক একদিন শহরের সবশিশুদের বোকা বানিয়ে পাহাড়ে নিয়ে আটকে রেখেছিল। ফখরুল খালেদা জিয়ার হ্যামিলনের ডাকাতিয়া বাঁশি ফুঁ দিয়ে কি ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের জনগণকে নদীতে ডুবিয়ে রাখবেন। নাকি কোনো পাহাড়ে নিয়ে আটকে রাখবেন। এসব তাদের প্রতারণা। দেশের মানুষকে ধোকা দিয়ে বোকা বানাতে চায় তারা।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর নানক। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ও শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপি, কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপি, রেমন্ড আড়েং, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী  মো. ফরিদুল হক খান, আবুল কালাম আজাদ এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাফফর হোসেন এমপি, বেগম হোসনে আরা এমপি, জামালপুর পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন প্রমুখ। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আগামী তিন বছরের জন্য জামালপুর জেলা কমিটিতে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহকে সভাপতি, ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীকে সহ-সভাপতি ও বিজন কুমার চন্দকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন।