• বুধবার   ০৪ আগস্ট ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ২০ ১৪২৮

  • || ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
দোকানপাট খুলবে ১১ আগস্ট কিছু বেইমান-মুনাফেকের জন্য তার দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠন সম্ভব হয়নি নিম্ন আয়ের মানুষও আমাদের প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী মুজিবের দেশে প্রতিটি মানুষ সুন্দর ও উন্নত জীবন পাবে জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বস্তিবাসীদের আধুনিক ফ্ল্যাট দিলেন প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় ষড়যন্ত্রকারী কারা, ঠিকই আবিষ্কার হবে’ ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে খালেদা জিয়া’ দেশের নাম বদলে দিতে চেয়েছিল পঁচাত্তরের খুনি চক্র: প্রধানমন্ত্রী এক সময় নিজেই রক্তদান করতাম: প্রধানমন্ত্রী হত্যার বিচার করেছি, ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা এখনও আবিষ্কার হয়নি শোকের মাস আগস্ট শুরু একনেক বৈঠক শুরু, অনুমোদন হতে পারে ১০ প্রকল্প করোনা টেস্টে গ্রামীণ জনগণের ভীতি নিরসনে কাজ করতে হবে জয়ের কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার শিখেছি : প্রধানমন্ত্রী মানুষকে ব্যাপকভাবে ভ্যাকসিন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদন হবে দেশেই: শেখ হাসিনা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ করোনা মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীসহ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

আম খেয়েও কমানো যায় ওজন!

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২১  

রসালো ও মিষ্টি ফল আম। এর স্বাদে মুগ্ধ হয় ছোট-বড় সবাই। তবে বেশি খেলে মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই এড়িয়ে যান ফলের রাজা আমকে। তাই তো ডায়াবেটিস রোগীর খাবারের তালিকা থেকেও আম বাদ দেওয়া হয়ে থাকে। তবে জানলে অবাক হবেন, আম খেয়েও না-কি ওজন কমানো যায়- এমনই বলছে গবেষণা।

২০০৮ সালের এপ্রিলে নিউট্রশন রিসার্চ একটি গবেষণা প্রকাশ করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে যারা অতিরিক্ত ওজনে ভুগছিলেন, তাদের মধ্যে যেসব ব্যক্তিরা বেশি পরিমাণে ফল খেয়েছেন; তাদের ওজন অন্যদের তুলনায় বেশি কমেছে। তাই প্রতিদিন অন্তত ১০০ গ্রাম ফল খাওয়া উচিত। তাহলে ৬ মাসে অতিরিক্ত আপনার ০.৩কেজি ওজন কমবে।

তবে যাদের ওজন উচ্চতা অনুযায়ী বেশি; তাদের স্বাস্থ্য বুঝে আম না খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেক পুষ্টিবিদ। তবে আম যে শুধু ওজন বাড়ায় তা কিন্তু নয়। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিগুণ স্বাস্থ্যের অনেকে উপকারও করে।

এজন্য অনেক চিকিৎসকই এই মৌসুমে আম খাওয়ার পরামর্শ দেন। আমে আছে কার্ব, প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, ভিটামিন এ, সি, বি-৬ এবং ফোলেট। ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ও অ্য়ান্টি-অক্সিডেন্ট।

অন্যদিকে আমের জিআই হরেঅ ৪১ থেকে ৬০-এর মধ্য়ে। গড় ৫১ থাকে। ৫৫ এর নিচে যে খাবারের জিআই মাত্রা, তাদের লো জিআই খাবার মনে করা হয়। যদি তা ৭০-এর বেশি হয় তবে তাদের উচ্চ জিআই মনে করা হয়। তাই ডায়াবিটিক রোগীরাও আম খেতে পারবেন, তবে পরিমাণ কমিয়ে।

আম খেলে কীভাবে ওজন কমবে? আম খেলে ওজন বাড়ে, এই কথা পুরোপুরি ভুল নয়। কারণ অসময়ে আম খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ বেশিরভাগ মানুষই খাওয়ার পর খান কিংবা ডিনারে বা লাঞ্চেও অনেক সময় আম খান।

পরিমাণ অনুযায়ী, একটা মাঝারি মাপের আমের ওজন ১৫০ গ্রাম হতে পারে। তাই বেশি ক্যালোরি আপনার খাবারে যোগ হয়। তাই ওজন বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। বিশেষ করে রাতে আম খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভবাবনা বেশি থাকে। তবে অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকের পরিবর্তে আপনি যদি আম খান, তবে অবশ্যই আপনার ওজন কমতে পারে।

যেমন সকাল বা বিকেলের স্ন্যাকস হিসেবে আপেল বা কলার পরিবর্তে আপনি একটি আম খেতেই পারেন। এ ছাড়াও ব্যায়াম শুরু করার অন্তত ৩০ মিনিট আগে একটি আম খান। এটি আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে। কারণ এতে ভিটামিন সি, বি-৬ ও কার্ব আছে। অন্যান্য ফলের মতোই আমও আপনার পেট অনেক্ষণ ভর্তি রাখবে।