• সোমবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১০ ১৪২৮

  • || ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
করোনায় ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন শহীদ আসাদ দিবস আজ ‘বাংলাদেশকে আর কেউ অবহেলা করতে পারবে না’ সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে চুপ থাকবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী করোনা: ১২ জেলাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়তে ডিসিদের প্রতি নির্দেশ ভয়-লোভের ঊর্ধ্বে থাকুন, ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ২৪ দফা নির্দেশনা ‘শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ভিক্ষা করবে আমি দেখতে চাই না’ ওমিক্রনে মৃত্যু বাড়ছে, সচেতন থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সেবা নিতে এসে মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন: প্রধানমন্ত্রী তৃণমূলের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ইসির সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব আওয়ামী লীগের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির ইসি গঠনে আইনের খসড়া অনুমোদন মন্ত্রিসভায় জঙ্গিবাদ নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিকেলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আ’লীগের সংলাপ নৌকায় ভোট দিয়েই রংপুর মঙ্গামুক্ত: প্রধানমন্ত্রী

সু চিকে দ্রুত মুক্তি দিন: মিয়ানমারকে যুক্তরাষ্ট্র

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২২  

মিয়ানমারের জান্তা সরকারকে দ্রুত দেশটির গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অন সাং সু চিকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার মিয়ানমারের একটি সামরিক আদালত ওয়াকিটকি রাখার অভিযোগে সু চিকে আরও চার বছরের কারাদণ্ড দেন। খবর আনাদোলুর।
    
এর আগে করোনার বিধিনিষেধ ভঙ্গের অভিযোগে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইজ এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের সামরিক সরকারকে বলেছেন, গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অন সাং সু চি জনগণের ভোটে নির্বাচিত। অন্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তাকেও অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে।

মিয়ানমারে গণতন্ত্রচর্চা সুসংহত করতে যুক্তরাষ্ট্র সু চির দ্রুত মুক্তি চায়।

উল্লেখ্য, সোমবার লাইসেন্সবিহীন ওয়াকিটকি রেখে আমদানি-রপ্তানি আইন লঙ্ঘন এবং সিগন্যাল জ্যামার বসানোর দায়ে সু চিকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর আগে করোনাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ ভঙ্গ এবং সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে গত ডিসেম্বরে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে তা কমিয়ে দুই বছর করা হয়।

সু চির সমর্থকরা বলছেন, তার বিরুদ্ধে যেসব মামলা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা সুসংহত করার জন্যই তার রাজনৈতিক জীবন শেষ করে দেওয়া হচ্ছে।

মিয়ানমারের রুদ্ধদ্বার সামরিক আদালতে সু চির বিচার চলছে। সাংবাদিকদের আলাদতে যেমন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, তেমনি সু চির আইনজীবীরাও সংবাদমাধ্যমে কোনো বক্তব্য দিতে পারছেন না। সু চির বিরুদ্ধে যত অভিযোগ আনা হয়েছে, তাতে যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে বাকি জীবন তাকে কারাগারেই কাটাতে হবে। বলা হচ্ছে— এসব মামলায় তার ১০০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হতে পারে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মিয়ানমারবিষয়ক গবেষক ম্যান্নি মুয়াং বলেন, জান্তা নিজেদের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দিতে যেসব কারসাজি করছে, এটি তার আরেকটি নমুনা। ২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সু চির পপুলার ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) বিপুল বিজয় অর্জন করে। সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, ভোটে জালিয়াতি করে তার দলকে বিজয়ী করা হয়েছে।

দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থানের পর এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৪০০ বিক্ষোভকারী।