• রোববার   ২৬ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১২ ১৪২৯

  • || ২৫ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের উন্নতির জন্য নিজের জীবন দেয়ার ওয়াদা- প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর ওপর হাজারো মানুষের ঢল ‘আছে শুধু ভালোবাসা, দিয়ে গেলাম তাই’ শিবচরের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ: পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন কংক্রিটের অবকাঠামো নয়, পদ্মা সেতু আমাদের অহংকার: প্রধানমন্ত্রী এ সেতু স্পর্ধিত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী ৪২টি পিলার বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার ভিত: প্রধানমন্ত্রী ‘সর্বনাশা’ থেকে ‘সর্বআশা’ পদ্মা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু পদ্মার বুক চিরে বাংলাদেশের ‘সাহস’ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেশের জন্য গৌরবোজ্জ্বল ও ঐতিহাসিক দিন সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর মতো সব প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন কামনা করছি: রাষ্ট্রপতি দখিনা দুয়ার খুলছে আজ

প্রথম স্ট্রোকের ১০ বছরের মধ্যেই মৃত্যু!

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২২  

দিন দিন স্ট্রোক করা রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ হলো স্ট্রোক। এমন সংকটাপন্ন অবস্থায় অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা বলছে, প্রথমবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ১০ বছরের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন দুই-তৃতীয়াংশ রোগী।

মস্তিষ্কে যখন রক্ত সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় অথবা কোনো কারণে রক্তক্ষরণ শুরু হয়, তখন সেই পরিস্থিতিকে চিকিৎসা শাস্ত্রে বলা হচ্ছে স্ট্রোক। সাধারণত অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইলই স্ট্রোকের দিকে মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত।

বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবার প্রধান ভরসা কেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেই কোনো স্ট্রোক রোগীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা বা আলাদা ইউনিট। এমন পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই গবেষণার তথ্য অনেকটাই সাধারণ জনগণের কাছে উদ্বেগের বিষয়।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সমীক্ষার তথ্যানুযায়ী, প্রথমবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর মৃত্যুকে জয় করতে পারলেও ১০ বছরের মধ্যেই বেশির ভাগ রোগী মারা যান।

সমীক্ষাটি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার রোগীর চিকিৎসার তথ্য খতিয়ে দেখার পর এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছান গবেষকরা।

এ সমীক্ষায় বিশেষজ্ঞরা আরও লক্ষ করেন, প্রতি ৫ জন রোগীর ১ জন ৫ বছরের মধ্যেই দ্বিতীয়বার স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। আর ১০ বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা এ ক্ষেত্রে শতকরা ২৭ ভাগ।

স্ট্রোকে আক্রান্ত মোট রোগীর অর্ধেকেরও বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ইসকেমিক স্ট্রোকে। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিতে রক্ত চলাচলের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে এ ধরনের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে মত গবেষকদের।

সমীক্ষাটি থেকে আরও জানতে পারা যায়, প্রথম স্ট্রোকের ১০ বছরের মধ্যে নারীদের মৃত্যুহার পুরুষের তুলনায় বেশি।

গবেষকরা এর কারণ খুঁজতে শুরু করলে তারা জানতে পারেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অসময়ে প্রাণ হারাচ্ছেন রোগীরা। তাই গবেষকরা মনে করছেন, প্রথমবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হলেই জটিলতা এড়াতে নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা উচিত রোগীর।

এ ছাড়া খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না আনার কারণেও এই বিপর্যয় ঘটছে বলে দাবি গবেষকদের। তবে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন,  থ্রম্বোলাইসিস ও এন্ডোভাসকুলার চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে অনেকটাই কমানো যায় এ ঝুঁকি।