• শনিবার ২০ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৫ ১৪৩১

  • || ১২ মুহররম ১৪৪৬

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ২১ জুলাই স্পেন যাবেন প্রধানমন্ত্রী আমার বিশ্বাস শিক্ষার্থীরা আদালতে ন্যায়বিচারই পাবে: প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রাণহানি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মার জন্য তাৎপর্যময় ও শোকের দিন আশুরার মর্মবাণী ধারণ করে সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী দুঃখ লাগছে, রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ ‘চীন কিছু দেয়নি, ভারতের সঙ্গে গোলামি চুক্তি’ বলা মানসিক অসুস্থতা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে না দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করুন চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

কোন ব্লাড গ্রুপের কোন রোগের ঝুঁকি বেশি?

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২৪  

প্রত্যেকের শরীরেই রক্ত থাকে, তবে রক্তের ধরন এক হয় না। কারও এ পজেটিভ, কারো আবার ও নেগেটিভ, এবি পজেটিভ, বি নেগেটিভ ইত্যাদি। মোট ৮ ধরনের রক্তের গ্রুপ আছে। সাধারণত রক্তের গ্রুপ হলো ৪টি-এ, বি, এবি এবং ও।

অ্যান্টিজেন ও আন্টিবডির ওপর ভিত্তি করেই রক্তের গ্রুপ নির্ধারণ করা হয়। রক্তের গ্রুপের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রক্তের আরএইচ ফ্যাক্টর। এ কারণেই রক্তের গ্রুপের সঙ্গে নেগেটিভ বা পজেটিভ বলা হয়।

শরীরের সুস্থতা কিন্তু অনেকাংশেই নির্ভর করে রক্তের গ্রুপের উপর। বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, বেশ কিছু রোগ মানুষের রক্তের ধরনের উপরও নির্ভর করে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন ব্লাড গ্রুপের কোন রোগের ঝুঁকি বেশি-

>> ও গ্রুপের রক্ত যাদের শরীরে আছে, তারা হৃদরোগে কম ভোগেন। গবেষণা দেখা গেছে, ও ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিদের করোনারি হৃদরোগের ঝুঁকি কম থাকে। যদিও বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে নিশ্চিত নন।

>> অন্যদিকে এ, এবি ও বি রক্তের গ্রুপগুলোর ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। বিশেষত যাদের এ টাইপ ব্লাড গ্রুপ তাদের পাকস্থলীর ক্যানসারেরও ঝুঁকি বেশি। এছাড়া অগ্ন্যাশয় ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়িয়ে তুলতে পারে। গবেষকরা মনে করেন এর কারণ হতে পারে এইচ পাইলোরি সংক্রমণ। যা এ গ্রুপের রক্তে বেশি দেখা যায়। এটি একটি ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত পেটে পাওয়া যায়। এটি প্রদাহ ও আলসারেরও কারণ হতে পারে।

১. একটি ছোট সমীক্ষায় দেখা গেছে, অন্যান্য ব্লাড গ্রুপের চেয়ে এবি গ্রুপের ব্যাক্তিরা স্মৃতিশক্তির সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হন।

২. শরীরে কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে গেলে স্ট্রেস হরমোনও বেড়ে যায়। এ গ্রুপের রক্ত আছে যাদের, তাদের শরীরে বেশি করটিসল থাকে। তাই এমন ব্যক্তিরা বেশি মানসিক চাপে ভোগেন।

৩. ও ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিরা ম্যালেরিয়ায় বেশি ভোগেন। ম্যালেরিয়ার জীবাণু আছে এমন মশা আপনাকে কামড়ালে ওই জীবাণু রক্তের মাধ্যমে আপনার শরীরেও প্রবেশ করে। ও ব্লাড গ্রুপের রক্ত আছে এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ম্যালেরিয়া বেশি দেখা দেয়।

৪. পেপটিক আলসার খুবই যন্ত্রণাদায়ক। ও ব্লাড গ্রুপের রোগীরাও এ সমস্যাতে বেশি ভোগেন।

৫. এবি রক্তের গ্রুপ থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। চিকিৎসকরা মনে করেন, অন্যান্য ব্লাড গ্রুপের তুলনায় এবি ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।

৬. ভেনাস থ্রোম্বোইম্বোলিজম (ভিটিই) হলো, যখন আপনার পায়ের মতো গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধে। এই জমাটগুলো কখনো কখনো আপনার ফুসফুসে চলে যায়। গবেষণায় দেখা যায় এ, বি বা এবি ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা ভিটিই’তে বেশি ভোগেন।

৭. এ ও বি ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিরা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে বেশি ভোগেন। যদিও কেন এটি ঘটে সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত নন। এক্ষেত্রে আরও গবেষণা প্রয়োজন।