• রোববার   ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৩ ১৪২৯

  • || ১৩ রজব ১৪৪৪

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
অন্যের কাছে আমরা হাত পাতবো না: প্রধানমন্ত্রী এখন কেউ আর কুঁড়েঘরে বাস করে না: প্রধানমন্ত্রী এখন আর হাওয়া ভবনে ‘পাওয়া’ দিতে হয় না- প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ড বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে দেড়শ শতাংশ, মনে রাখতে হবে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী ক্রয়মূল্য দিলে সবক্ষেত্রে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব লাইব্রেরিতে পড়াশোনার পরিবেশ তৈরিতে মনোযোগী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়ায়: রাষ্ট্রপতি সবাইকে আইনানুযায়ী রাজস্ব প্রদানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাজস্ব আদায় বাড়াতে আরও উদ্যমী হোন, এনবিআরকে প্রধানমন্ত্রী সমৃদ্ধ রাজস্ব ভাণ্ডার গড়ে তোলার ওপর প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার মার্চে কাতার যাবেন প্রধানমন্ত্রী, সেপ্টেম্বরে ভারত সফরের সম্ভাবনা অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি কেউ রুখতে পারবে না জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী

বাবা ভারতে, মা পাকিস্তানে, ৪৮ বছর পর দেখা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০২৩  

৪৮ বছর পর দেখা হলো বাবা-ছেলের। এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি। ছেলের বয়স যখন ৭ মাস তখন বাবা রাগ করে পাড়ি জমিয়েছিলেন ভারতে আর ৮ বছর বয়সে মাও পাড়ি জমিয়েছেন পাকিস্তানে। সেই ছেলের বয়স এখন ৪৯ বছর। বাবা কিংবা মায়ের সন্ধানে নানা স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন তিনি। অবশেষে সন্তানের খোঁজে বাবাই এলেন বাংলাদেশে।

নেত্রকোণার আরজদ আলী আর হাজেরার সংসারে যখন ৭ মাসের শিশু কালা মিয়া ১৯৭৪ সালে শ্বশুর বাড়ির সাথে ঝগড়া করে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিলেন বাবা আরজদ আলী। আর সেই সন্তানের যখন বয়স ৮ বছর সে সময় মা হাজেরা খাতুনও পাড়ি জমান পাকিস্তানে। সে সময় থেকেই পিতা মাতা হারা কালা মিয়া চলে আসে সিলেটে। তবে ৪৮ বছর পর গত ১০ জানুয়ারি ভারত থেকে ছেলে আর স্ত্রীর খোজে নেত্রকোণায় পৌঁছে আরজদ আলী। সেখান থেকেই বাবাকে নিয়ে সিলেটে আসেন কালা মিয়া। সত্তোরোর্ধ আরজদ আলীর কাছে শোনা গেলো তার নিরুদ্দেশের কাহিনী।

এ ব্যাপারে ছেলে কালা মিয়া বলেন, ৪৮ পর আমার আব্বাকে আমি পেয়েছি। আমার চেয়ে সুখী আর কেউ নাই। আমি যে সম্পদ পেয়েছি। আমার চেয়ে সুখী আর কেউ নাই। আল্লাহ আমার আব্বাকে যেভাবে মিলিয়ে দিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমার মা’কেও আমি ফিরে পেতে চাই।

বাবা আরজদ আলী বলেন, মনমালিন্য হয়েছিল বলে স্ত্রী আমাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলেছিল। আমিও রাগ করে সন্তান ফেলে ভারতের আসামে চলে যাই। অনেক খোঁজখবর করে অবশেষে ছেলেকে পেয়ে বেজায় খুশি বাবা আরজদ।

কালা মিয়ার কাছে জানা যায়, ইতোমধ্যেই বাবা আরজদ আলী ভারতে আর মা হাজেরা বেগম পাকিস্তানে সংসার বেধেছেন, রয়েছে তাদের সন্তানও।