• সোমবার   ২৭ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৩ ১৪২৯

  • || ২৬ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
স্বপ্নজয়ের পর অপার সম্ভাবনার হাতছানি পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রীকে এশিয়ার পাঁচ দেশের অভিনন্দন ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের উন্নতির জন্য নিজের জীবন দেয়ার ওয়াদা- প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর ওপর হাজারো মানুষের ঢল ‘আছে শুধু ভালোবাসা, দিয়ে গেলাম তাই’ শিবচরের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ: পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন কংক্রিটের অবকাঠামো নয়, পদ্মা সেতু আমাদের অহংকার: প্রধানমন্ত্রী এ সেতু স্পর্ধিত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী ৪২টি পিলার বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার ভিত: প্রধানমন্ত্রী ‘সর্বনাশা’ থেকে ‘সর্বআশা’ পদ্মা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু পদ্মার বুক চিরে বাংলাদেশের ‘সাহস’ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেশের জন্য গৌরবোজ্জ্বল ও ঐতিহাসিক দিন

বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির মাছ ধরা পড়লো মেকং নদীতে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২১ জুন ২০২২  

কম্বোডিয়ার মেকং নদীতে ধরা পড়লো ৩০০ কেজি ওজনের একটি স্টিংরে মাছ। বিশ্বে এটিই সবচেয়ে বড় স্বাদু বা মিঠা পানির মাছ বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। এর আগে ২০০৫ সালে থাইল্যান্ডে ধরা পড়ে ২৯৩ কেজি ওজনের একটি বৃহদাকার ক্যাটফিশ। কিন্তু এবারের স্টিংরে সেই অতীত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। যদিও বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির মাছের কোনো সরকারি রেকর্ড বা ডাটাবেস নেই।

মেকং জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি নদী। কিন্তু অতিরিক্ত মাছ ধরা, বাঁধ ও দূষণ নদীটির ইকোসিস্টেমকে ভেঙে ফেলেছে। তিব্বত মালভূমি থেকে চীন, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত এই নদী।

ইউএসএইড পরিচালিত ‘ওয়ানডারস অব দ্য মেকং’ সংরক্ষণ প্রকল্পের প্রধান জীববিজ্ঞানী জেব হোগান এই মাছের সন্ধান পাওয়াকে দারুণ খবর বলে মনে করছেন। এই মাছটি খুঁজে পাওয়া এবং নথিভুক্ত করা অসাধারণ ব্যাপার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কারণ এটি মেকং-এ ঘটেছে। এমন একটি নদী যা বর্তমানে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন’।

তিনি আরও বলেন, ‘ছয়টি মহাদেশের নদী, হ্রদে বৃহদাকার মাছ নিয়ে ২০ বছরের গবেষণায় পাওয়া এটিই সবচেয়ে বড় স্বাদুপানির মাছ। আর এই মাছ এখানে পাওয়ার অর্থ হচ্ছে মেকং নদীর এই অংশ এখনও জীববৈচিত্র্যের জন্য উপযোগী।’

গত ১৩ জুন কোহ প্রিয়া দ্বীপের এক স্থানীয় জেলে এই স্টিংরে মাছটি ধরার কথা গবেষকদেরকে জানান। মাছটি ছিল ৩ দশমিক ৯৮ মিটার লম্বা ও ২ দশমিক ২ মিটার চওড়া। স্থানীয় খেমার ভাষায় মাছটিকে বলা হচ্ছে ‘বোরামি’; যার অর্থ পূর্ণ চাঁদ। এই স্ট্রিংরে একটি বিরল এবং বিপন্ন প্রজাতির মাছ। এ নিয়ে গত মে মাস থেকে দুটো স্টিংরে মাছ পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ পেলেন গবেষকরা।