• রোববার   ২৬ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১২ ১৪২৯

  • || ২৫ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের উন্নতির জন্য নিজের জীবন দেয়ার ওয়াদা- প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর ওপর হাজারো মানুষের ঢল ‘আছে শুধু ভালোবাসা, দিয়ে গেলাম তাই’ শিবচরের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ: পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন কংক্রিটের অবকাঠামো নয়, পদ্মা সেতু আমাদের অহংকার: প্রধানমন্ত্রী এ সেতু স্পর্ধিত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী ৪২টি পিলার বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার ভিত: প্রধানমন্ত্রী ‘সর্বনাশা’ থেকে ‘সর্বআশা’ পদ্মা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু পদ্মার বুক চিরে বাংলাদেশের ‘সাহস’ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেশের জন্য গৌরবোজ্জ্বল ও ঐতিহাসিক দিন সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর মতো সব প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন কামনা করছি: রাষ্ট্রপতি দখিনা দুয়ার খুলছে আজ

১৯৫৫ সালের মার্সিডিজ রেকর্ড মূল্যে বিক্রি

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২১ মে ২০২২  

চলতি মাসের শুরুতে নিলামে বিক্রি হল ১৯৫৫ সালে নির্মিত একটি মার্সিডিজ। ১৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার দামে এটি বিক্রি হয়। বিক্রয়মূল্যের দিক থেকে বর্তমানে এটিই বিশ্বের সবচেয়ে দামী গাড়ি। 

পুরো পৃথিবীতে মাত্র দুটি গাড়ি রয়েছে এই মডেলের। তার মধ্যে এটি একটি। অকশান হাউজ আরএম সোথবি বৃহস্পতিবার (১৯ মে) এ ঘোষণা দেয়।

একজন ব্যক্তিগত সংগ্রাহকের কাছে ৩০০ এসএলআর “উলেনহট-ক্যু” গাড়িটি বিক্রি করা হয়েছে। যা, আগের গাড়ি বিক্রির রেকর্ডের প্রায় ৩ গুণ। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৮ সালে, ৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারেরও বেশি দামে বিক্রি হওয়া ১৯৬২ মডেলের একটি ফেরারি ২৫০ জিটিও-র।

নিলাম ঘরটি জানিয়েছে, ৫ মে শুধুমাত্র আমন্ত্রিতদের অংশগ্রহণে জার্মানির স্টুটগার্টের মার্সিডিজ বেঞ্জ মিউজিয়ামে নিলামটি অনুষ্ঠিত হয়।

আরএম সোথবি’স জানায়, গাড়িটি মার্সিডিজ বেঞ্জ-এর রেসিং ডিপার্টমেন্টের নির্মিত মাত্র দুটি আদি গাড়ির মধ্যে একটি। এই গাড়ির নামকরণ হয়েছে, এর স্রষ্টা ও প্রধান প্রকৌশলী রুডলফ উলেনহটের নামে।

আরএম সোথেবি’স আরও জানায়, নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ একটি বিশ্বব্যাপী মার্সিডিজ-বেঞ্জ তহবিল প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবহৃত হবে। এ তহবিল পরিবেশ বিজ্ঞান এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাস সংক্রান্ত গবেষণার জন্য অর্থায়ন করবে।