• সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩১ ১৪৩১

  • || ০৭ মুহররম ১৪৪৬

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
‘চীন কিছু দেয়নি, ভারতের সঙ্গে গোলামি চুক্তি’ বলা মানসিক অসুস্থতা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে না দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করুন চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-বেইজিং ৭ ঘোষণাপত্র, ২১ চুক্তি সই চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই উপযুক্ত সময় তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বিপ্লবীদের প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা চীন-বাংলাদেশ হাত মেলালে বিশাল কিছু অর্জন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বেইজিং পৌঁছেছেন, শি জিংপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক আজ দ্বিপক্ষীয় সফরে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী

চোর ধরতে গিয়ে খুন হন প্রকৌশলী সদরুল

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

কেরানীগঞ্জের আরশিনগরে একটি ফ্ল্যাট বাসায় ভাড়া থাকতেন প্রকৌশলী সদরুল আলম (৪০)। একাই থাকতেন। সম্প্রতি রাতে ভেন্টিলেটর ভেঙে চার তলায় সদরুলের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন এক ব্যক্তি। এসময় শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তার। তিনি ‘চোর চোর’ বলে চিৎকার দিয়ে আল আমিন নামের ওই ব্যক্তিকে ধরতে যান। তখন আল আমিন পকেট থেকে সুইচ গিয়ার চাকু বের করে সদরুলকে হত্যা করে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে আল আমিনও রয়েছেন। আর বাকি দুজন হলেন মো. শুভ ও রিমন হোসেন। সোমবার ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ১২ আগস্ট রাতে অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় এসে ঘুমিয়ে পরেন সদরুল। পরদিন সকালে বাড়ির মালিক মো. ইউনুস মিয়া একটি মানিব্যাগ পান। মানিব্যাগের ভেতরে সদরুল আলমের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায়। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসার জন্য তার রুমের সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য ডাকাডাকি করতে থাকেন ইউনুস মিয়া। রুমের ভেতর থেকে সাড়া না আসায় তিনি ৯৯৯ কল করেন। কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সদরুলের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন মোসা. রেবেকা সুলতানা রত্না বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন।

ঘটনার বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, শুভ ভ্যান চালিয়ে মোহাম্মদপুর থেকে তিনজনকে নিয়ে কেরানীগঞ্জ থানাধীন আরশিনগরে যান। তারা চুরি করার জন্য পাশাপাশি ভবন, সিকিউরিটি গার্ড নেই এমন বাড়ি খুঁজতে থাকেন। এসময় তাদের চোখে ইউনুস মিয়ার ভবনকে সুবিধাজনক বলে মনে হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভ্যান নিয়ে অপেক্ষায় থাকেন রিমন। আর শুভ ও আল আমিন বাসায় ঢুকার জন্য যান। এরপর আল আমিন ভেন্টিলেটর ভেঙে চার তলায় সদরুল আলমের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। শব্দ পেয়ে ঘুম ভেঙে গেলে ‘চোর চোর’ বলে আল আমিনকে ধরতে যান সদরুল। তখন আল আমিন তাকে সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান।

আসাদুজ্জামান জানান, আল আমিনকে আরশিনগর থেকে সুইচ গিয়ার চাকুসহ গ্রেফতার করা হয়। তিনি একজন পেশাদার চোর। প্রতিদিন রাতে তার বন্ধু শুভ ও রিমনসহ একটি ভ্যানে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসা-বাড়ি ও বিভিন্ন অফিসে ঢুকে নগদ টাকা, মোবাইলসহ অন্যান্য মালামাল চুরি করেন। তাদের মধ্যে শুভ ও রিমন প্রায় ১০ বছর ধরে ভেন্টিলেটর ভেঙে চুরি করে আসছেন।

আল আমিনকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে শুভকে মোহাম্মদপুরের লাউতলা এলাকা থেকে ভ্যানসহ গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় রিমনকে। আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদে রিমন ও শুভ চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন।