• সোমবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৮

  • || ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে ‘ঢাকা শান্তি ঘোষণা’ গৃহীত শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে সম্পদ ব্যবহার করুন: প্রধানমন্ত্রী যত্রতত্র শিল্প প্রতিষ্ঠান করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর যুবকদের উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর দেশবাসীকে শপথ করানোর প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা উপকূলীয় এলাকার ৫৩ শতাংশ জমি সরাসরি লবণাক্ততায় আক্রান্ত বস্ত্রশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি: রাষ্ট্রপতি বস্ত্রখাত অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে ভূমিকা রেখে চলছে প্রশিক্ষিত সামরিক বাহিনী গঠনে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি বাংলাদেশ আর পিছিয়ে যাবেনা, এগিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদাপ্রস্তুত পার্বত্য শান্তিচুক্তির ফলে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ঘটনা: প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৪ বছরে পার্বত্য শান্তি চুক্তি করোনা বাড়লে আবারও বন্ধ হবে স্কুল: প্রধানমন্ত্রী গাড়ি না ভেঙে ছাত্রদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না: প্রধানমন্ত্রী গাড়ি ভাঙচুর-আগুন দিলেই ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী

একজনকে ২৫ বার, মাস শেষ হলেই নেন নতুন ছাত্রের ‘সেবা’

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২১  

প্রথমে ছাত্রকে নিজ কক্ষে ডেকে নেন। এরপর করান শরীর ম্যাসাজ। মেটাতে হয় যৌন চাহিদাও। ফাঁকি দিলেই চলে নির্যাতন। মুখ খোলার সাহসও পেতো না ছাত্ররা। কেউ যেন মুখ না খোলে সেজন্য রাখতেন চোখে চোখে। এভাবেই প্রতি মাসে একজন করে ‘যৌন-সেবা’ নেন মুহতামিম।

মাদরাসা থেকে কৌশলে পালিয়ে মাকে সঙ্গে নিয়ে মুহতামিমের বিরুদ্ধে থানায় এমনই অভিযোগ করে এক ছাত্র। ঘটনাটি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা এলাকার কূলধূরুয়া দারুস সালাম ক্যাডেট মাদরাসার।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম শাকিল মাহমুদ তামীম। তিনি কূলধূরুয়া দারুস সালাম ক্যাডেট মাদরাসার মুহতামিম। সোমবার সন্ধ্যায় শিক্ষকের বিচার চেয়ে থানায় অভিযোগ করে ভুক্তভোগী এক ছাত্র।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ছাত্র নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। সে কূলধূরুয়া দারুস সালাম ক্যাডেট মাদরাসার ছাত্র। সেখানেই তাকে বলাৎকার করেন মাদরাসার মুহতামিম শাকিল মাহমুদ তামীম। এতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুটি।

শিশুটি পুলিশকে জানায়, তাকে প্রায় ২০-২৫ বার বলাৎকার করেন মুহতামিম। এর থেকে রেহাই পেতে মাদরাসা ছেড়ে চলে যেতে চাইলে তাকে নজরে রাখতেন ‘হুজুর’। তার কথা ছাড়া সে বাইরে বের হতে পারতো না। গতকাল রোববার অন্যত্র বেড়াতে যান মুহতামিম। এ সুযোগে কৌশলে মাদরাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে যায় শিশুটি। এরপর মায়ের কাছে সব খুলে বলে।

গ্রামের বাসিন্দা মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কুকর্ম হতে পারে তা আমাদের মতো মানুষের কাছে অবিশ্বাস্য। অভিযোগ প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে মাদরাসায় গিয়ে মুহতামিমকে পাওয়া যায়নি। ফোন দিলে কলও রিসিভ করেননি।

নান্দাইল মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, মাকে নিয়ে থানায় এসেছে শিশুটি। মামলা নেয়া হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।