• শনিবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ২ ১৪২৮

  • || ০৯ সফর ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
`লাশের নামে একটা বাক্সো সাজিয়ে-গুজিয়ে আনা হয়েছিল` টকশোতে কে কী বলল ওসব নিয়ে দেশ পরিচালনা করি না: প্রধানমন্ত্রী উপহারের ঘরে দুর্নীতি তদন্তে দুদককে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়াকে আসামি করতে চেয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী এটা তো দুর্নীতির জন্য হয়নি, এটা কারা করল? ওজোন স্তর রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে ওজোন স্তর রক্ষায় সিএফসি গ্যাসনির্ভর যন্ত্রের ব্যবহার কমাতে হবে ১২ বছরের শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় আসছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ দিবেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে শোক প্রস্তাব নিতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী এই সংসদে একের পর এক সদস্য হারাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার রূপরেখা সাজানোর নির্দেশ শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী আগেরবার সব ভালো কাজের জন্য মামলা খেয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী উৎপাদন খরচ অনেক, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি ঘরে আলো জ্বলবে: প্রধানমন্ত্রী স্কুল ড্রেস নিয়ে শিক্ষার্থীদের চাপ না দিতে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ ‘মন্ত্রী-এমপির সন্তান পরিচয়ে নয়, সাংগঠনিক মূল্যায়নে মনোনয়ন’ কিছু লোক হাতুড়ি-শাবল দিয়ে আশ্রয়ণের ঘর ভেঙেছে

সৌদি বসে ঢাকার ভিওআইপি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

সৌদি আরব বসে মো. আলী নামে এক ব্যক্তি তার ঢাকার অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করেন। ব্যবসা করার দেড় বছর পর রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। এসময় অন্তত ৩০ লাখ টাকার ভিওআইপি সরঞ্জম উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়া জাকির হোসেন সড়কের একটি বাড়ির ফ্ল্যাটে র‍্যাব ও বিটিআরসির যৌথ অভিযান শুরু হয়। এরপর রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন র‍্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সরঞ্জামসহ শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শফিকুল ওই ফ্লাটের কেয়ারটেকার।  

তবে ব্যবসার মূল মালিক আলী নামের একজন সৌদি প্রবাসী। প্রবাসে থেকেই তিনি তিনজন কর্মী রেখে ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনা করত। তিনজনের মধ্যে দুই জন সার্ভার মেইনটেইন করত। তবে তারা এখন পলাতক রয়েছে বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, অভিযানে এক হাজারের বেশি টেলিটকের সিম উদ্ধার করা হয়েছে। এই সিম ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ফোন কল অবৈধভাবে কল ট্রান্সমিশন করতো। অভিযানে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এই সরঞ্জাম ব্যবহার করে একসঙ্গে ১৬০টি কল ট্রান্সমিশন করা হতো।

এক প্রশ্নের জবাবে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, অবৈধ ভিওআইপি ফোন কলের মাধ্যমে প্রতি বছর ৫ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছিলো সরকার। চক্রটি গত দেড় বছর ধরে অবৈধ্য ভিওআইপির ব্যবসা করে আসছিল। সেই হিসেবে সরকারের ৭ থেকে ৮ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।