• রোববার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১০ ১৪২৯

  • || ২৭ সফর ১৪৪৪

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচারের সমুচিত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ‘জাতিসংঘ অধিবেশনে সক্রিয় অংশগ্রহণ বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে’ জাতিসংঘে আজ বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু আজ বাংলাদেশি অভিবাসী দিবস জলবায়ু ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর অবদান ‘দুঃখজনক’: প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ সব সময় জনগণের ভোটেই ক্ষমতায় আসে: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বিশ্বশান্তি ও মানবমুক্তির দিকদর্শন: আ.লীগ জাতিসংঘে ১৫ আগস্টের কথা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে ঢাকা-নমপেন এফটিএ চুক্তিতে সম্মত দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল বাইডেনের অভ্যর্থনায় প্রধানমন্ত্রীর যোগদান রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে জাতিসংঘকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করুন: প্রধানমন্ত্রী বাইডেনকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : জাতিসংঘের বলিষ্ঠ ভূমিকা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী চলমান বৈশ্বিক সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ জাতিসংঘে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর আলোকচিত্র প্রদর্শন সাফজয়ী ফুটবলার রূপনা চাকমার জন্য রাঙ্গামাটিতে ঘর নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বজুড়ে গভীরভাবে আঘাত করছে: প্রধানমন্ত্রী

‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস’ প্রসঙ্গে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২২  

রাষ্ট্রের কাঠামো এবং সাংবিধানিক পরিভাষায় ‘বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী নেই’। International Day of the World’s Indigenous Peoples. যা বাংলাদেশে ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস’ হিসাবে পালিত হচ্ছে।

প্রতিবছর আগস্ট মাসের ৯ তারিখ বিশ্বব্যাপী পৃথিবীর প্রায় ৯০টি দেশে ৩৭০ মিলিয়ন আদিবাসী জনগোষ্ঠী এ দিবসটিকে তাদের নিজেদের স্বতন্ত্র সংস্কৃতি উপস্থাপনের পাশাপাশি তাদের নানান দাবি-দাওয়া নিজ নিজ রাষ্ট্রের সামনে এবং বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন।

বাংলাদেশে ‘আদিবাসী’ বলতে কাদেরকে বোঝায় এখনো পর্যন্ত সে বিতর্ক অমীমাংসিত রয়ে গেছে। আদিবাসী শব্দটির প্রকৃত সংজ্ঞা ও তাদের জাতীয় পরিচয় ও অধিকার নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে।

সাধারণত কোনও একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অনুপ্রবেশকারী বা দখলদার জনগোষ্ঠীর আগমনের পূর্বে যারা বসবাস করত (এটা ঔপনিবেশিকতার অভিজ্ঞতার সাথে সম্পৃক্ত এবং আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) এবং এখনও করে। যাদের নিজস্ব ও আলাদা সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও মূল্যবোধ রয়েছে। যারা নিজেদের আলাদা সামষ্টিক সমাজ-সংস্কৃতির অংশ হিসেবে চিহ্নিত করে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যারা সমাজে সংখ্যালঘু হিসেবে পরিগণিত তারাই আদিবাসী।

Indigenous peoples, also referred to as first people, aboriginal people, native people, or autochthonous people, are culturally distinct ethnic groups who are native to a place which has been colonised and settled by another ethnic group.

বিভিন্ন দেশের বৈচিত্রময় সংস্কৃতির সংরক্ষণের জন্য ১৯৯৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিবছর ৯ আগস্ট বিশ্বের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর একটি আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়। সত্যিকার অর্থে তখন থেকে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন করে আসছে। প্রতিবছর আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে জাতিসংঘ কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে একটা ঘোষণা দেয় যাতে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো সেটা সামনে রেখে এ দিবস পালন করে।

বাংলাদেশে বসবাসরাত প্রায় ৩০ লক্ষ ক্ষুদ্র-জাতিগোষ্ঠীর জনগণ এবং এদেশের প্রগতিশীল ও সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদে বিশ্বাসী মানুষ বেশ জাকজমকপূর্ণভাবে সারাদেশে ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন করছে।

সাংবিধানিক কাঠামোতে বাঙালি ছাড়া অন্য কোনও জাতিসত্তার মানুষকে বাংলাদেশের নাগরিক বলে স্বীকার করে না, কারণটা হলো বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিক্যাল ৬(২)-এ উল্লেখ আছে, ‘বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন’।

অর্থাৎ বাঙালিরাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং বাঙালি ছাড়া অন্য কোন ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষ (সাঁওতাল, গারো, মণিপুরি, ওরাং, মুন্ডা, চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, খুমি, ম্রো প্রভৃতি) বাংলাদেশের নাগরিক হবে না । তবে, সংবিধানের আটিক্যাল ২৩-এ গিয়ে এসব জাতিগোষ্ঠীকে জাতি হিসাবে নয় বরং অন্য নামে এক ধরনের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

বাঙালি ছাড়া ভিন্ন জাতিসত্তার যেসব মানুষ বাংলাদেশে বাস করে তারা রাষ্ট্রের ভাষায় ‘বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী, এবং সম্প্রদায়’ (বাংলাদেশ সংবিধান ২৩/ক) হিসাবে পরিচিত।

এছাড়াও ২০১১ সালের আদমশুমারিতে বাংলাদেশে বসবাসরত আদিবাসীদের বলা হয়েছে ‘এথনিক পপুলেশন’ আর পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ২৩ (ক) অনুচ্ছেদে সাংস্কৃতিকভাবে ভিন্ন জনগোষ্ঠীকে ‘উপজাতি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’।