• সোমবার   ২৭ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৩ ১৪২৯

  • || ২৬ জ্বিলকদ ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
স্বপ্নজয়ের পর অপার সম্ভাবনার হাতছানি পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রীকে এশিয়ার পাঁচ দেশের অভিনন্দন ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের উন্নতির জন্য নিজের জীবন দেয়ার ওয়াদা- প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর ওপর হাজারো মানুষের ঢল ‘আছে শুধু ভালোবাসা, দিয়ে গেলাম তাই’ শিবচরের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ: পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন কংক্রিটের অবকাঠামো নয়, পদ্মা সেতু আমাদের অহংকার: প্রধানমন্ত্রী এ সেতু স্পর্ধিত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী ৪২টি পিলার বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার ভিত: প্রধানমন্ত্রী ‘সর্বনাশা’ থেকে ‘সর্বআশা’ পদ্মা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু পদ্মার বুক চিরে বাংলাদেশের ‘সাহস’ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেশের জন্য গৌরবোজ্জ্বল ও ঐতিহাসিক দিন

সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৬ মে ২০২২  

 সমালোচকদের শুধু খরচের দিকটা না দেখে মেগা প্রকল্পগুলো দেশের অর্থনীতিতে কতটা অবদান রাখবে তা বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের সুফল বিবেচনা না করাটা দুঃখজনক।

সোমবার (১৬ মে) সকালে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)-এর বাস্তবায়ন পর্যালোচনার জন্য দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলন’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে (ভার্চ্যুয়াল) প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

মেগা প্রকল্পগুলোর সুফল জনগণ পাবে জানিয়ে টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, আমরা যেমন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। আমরা বিভিন্ন মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি এবং এর সুফলটা কিন্তু এদেশের মানুষ পাবে।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই হয়তো এখন সমালোচনা করেন। এটা করা হচ্ছে কেন বা পরমাণু বিদ্যুৎ কেন করা হলো, এত টাকা খরচ হয়েছে। খরচের দিকটা অনেকে শুধু দেখেন কিন্তু এই খরচের মধ্য দিয়ে দেশের জনগণ যে কত লাভবান হবে এবং আমাদের অর্থনীতিতে কতটা অবদান রাখবে, আমাদের উন্নয়ন গতিশীল হবে, মানুষের জীবন পরিবর্তনশীল হবে সেটা বোধহয় তারা বিবেচনা করেন না। এটা হচ্ছে খুব দুঃখজনক।

ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে উন্নয়ন দেখতে সারা দেশ ঘুরে দেখার আহ্বান জানিয়ে প্র্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বসে অনেকেই সমালোচনা করেন। তাদেরকে আমার অনুরোধ থাকবে বাংলাদেশটা আপনারা একটু ঘুরে দেখবেন। পরিবর্তনটা কোথায় এসেছে, কতটুকু এসেছে। সকলে গ্রাম পর্যায়ে একটু যোগাযোগ করলে সেটা জানতে পারবেন। সবাইকে আমি বলবো আগে বাংলাদেশটা একটু ঘুরে আসেন।

সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে এসে বেসরকারি খাতে টেলিভিশন, রেডিও সব কিছু উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এখন সবাই কথা বলতে পারেন, টক শো করতে পারেন। অবশ্য এটা আমি জানি অনেক কথা বলার পরে বলবেন, আমাদের কথা বলতে দেওয়া হয় না। কিন্তু যখন টক শোতে কথা বলেন কেউ তো আপনাদের মুখ চেপেও ধরেনি বা গলা টিপেও ধরেনি। সবাই যার যার ইচ্ছে মতো বলতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের কৃষক, আমাদের দেশের শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষ, এই খেটে খাওয়া মানুষ তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করাইতো আমার লক্ষ্য। ওই কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করে তাদের একটু উন্নত জীবন দেব সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

এসডিজি অর্জনে সরকারের কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এসডিজিতে যে সমস্ত বিষয়গুলো রয়েছে যেগুলো আমাদের জন্য প্রযোজ্য আমরা তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি এবং বাস্তবায়ন করে যাব। কাজেই এই সমস্ত প্রকল্পগুলো যখন সম্পন্ন হবে বা মানুষ এর শুভ ফল যখন ভোগ করবে তখন এদেশের অর্থনীতির চাকা আরো উন্নত হবে, সচল হবে, দারিদ্র বিমোচন হবে। আমরা দেশের মানুষের সার্বিক উন্নতি করতে পারবো।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রান্তে উপস্থিত থেকে সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ।