• শুক্রবার   ২০ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৯

  • || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিবেশবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী খালেদাকে পদ্মায় ফেলতে আর ইউনূসকে চুবিয়ে তুলতে বললেন শেখ হাসিনা কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের রিফুয়েলিং পয়েন্ট কক্সবাজারে যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে কউক’র নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে- প্রধানমন্ত্রী ওপেনিংয়ে চতুর্থ সেরা জুটি গড়ে ফিরলেন জয়, তামিমের সেঞ্চুরি সাশ্রয়ী হতে হবে, অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: শেখ হাসিনা দেশের মানুষের শেষ ভরসাস্থল শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির নিরাপদ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি চার দশকেরও বেশি সময় শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আ.লীগ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী টাকা অপচয় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে স্পেনের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা

আরএসএফ’র প্রতিবেদন বিদ্বেষপ্রসূত: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৫ মে ২০২২  

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস ফ্রন্টিয়ার্স (আরএসএফ) এর প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, তাদের প্রতিবেদন বিদ্বেষপ্রসূত, আপত্তিকর এবং অগ্রহণযোগ্য।  

তিনি বলেন, আরএসএফ একটি প্যারিস বেইজড অরগানাইজেশন।

এই সংস্থা সবসময় বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে। তারা গতবছর এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিল। তারা বাংলাদেশের গণমাধ্যম নিয়ে অসত্য, ভুল এবং মনগড়া রিপোর্ট করে। সেটার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বৃহত্তর সাংবাদিক ইউনিয়নগুলো যেমন প্রতিবাদ জানিয়েছিল, একইভাবে প্যারিস প্রবাসী কয়েকজন বাংলাদেশি ফ্রান্সের আইনজীবীর মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ দিয়েছিল। আইনি নোটিশে বলা ছিল, তারা কোনো দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের ব্যাপারে এ রকম মন্তব্য করতে পারে না, ফ্রান্সের আইনেই সেটি বলা আছে। তারা ফ্রান্সের আইন লঙ্ঘন করে সেটা করেছে। সুতরাং তারা এখন যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এটি কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।  

বৃহস্পতিবার (৫ মে) দুপুরে চট্টগ্রামের দেওয়ানজীপুকুর পাড়স্থ বাসায় সাংবাদিকদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।  

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ক্রমাগতভাবে বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে সেই সমস্ত সূত্র থেকে তারা তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে এবং নিজেরাও বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষপ্রসূত হয়ে যে রিপোর্ট দেয় সেটির কোনও মূল্য নেই। গতবছর বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নসহ (বিএফইউজে) সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন তাদের সেই প্রতিবেদন ও মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল প্রকাশ্যে, বিবৃতি দিয়েছিল।  

তিনি বলেন, সেই একই সংগঠন আবারো যখন বাংলাদেশের গণমাধ্যম নিয়ে কথা বলে তখন স্বাভাবিকভাবেই ধরে নিতে হবে সেই সংগঠনটা ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং তাদের অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এই প্রতিবেদনগুলো দিচ্ছে। তারা সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়েও বলেছে।

সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে বিশ্ব প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বিষয়টি যখন ছিল না তখন ডিজিটাল নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টিও ছিল না। যখন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে ডিজিটাল বিষয়টি এসেছে, তখন গণমানুষের ডিজিটাল নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন দেশ আইন করেছে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এই আইন হয়েছে এবং হচ্ছে। সিঙ্গাপুর, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়ায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। বাংলাদেশেও এই আইন হয়েছে।  

‘এই আইন সব মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। এই আইনের সুযোগ গ্রহণ করে অনেক সাংবাদিকও তাদের বিরুদ্ধে মানহানিকর অনেক কিছু করার জন্য মামলা করেছে। অবশ্যই সাংবাদিক হোক, সাধারণ মানুষ হোক কারো বিরুদ্ধে এই আইনের অপব্যবহার হওয়া উচিৎ নয়, সে নিয়ে আমরা সতর্ক আছি। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ২০১৮ বাংলাদেশে যেসমস্ত ধারাগুলো নিয়ে অনেক আলোচনা হয়, কেউ কেউ সমালোচনাও করেন সেই ধারাগুলো ভারত পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশে যে আইনগুলো হয়েছে সেখানেও অনুরূপ ধারাগুলো সন্নিবেশিত আছে’।  

তিনি বলেন, এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফ্রেইম ওয়ার্ক ল করছে, যেটার অধীনে বিভিন্ন দেশে পদক্ষেপ নেয়া হবে, আইন করা হবে। ফ্রান্সেও একই ধরনের আইন আছে। সুতরাং আরএসএফ’র এই প্রতিবেদন বা বাংলাদেশকে কয়েক ধাপ নামিয়ে দিল তারা বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষপ্রসূত হয়েই, তারা আগে থেকেই যেহেতু বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষপ্রসূত-সেজন্যই এ কাজটি করেছে। আমরা এটি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছি।

দেশে গণতন্ত্র নেই, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ বিভিন্ন কারণে মানুষের মন ভালো নেই, তাই দেশের মানুষ ভালোভাবে ঈদ করতে পারেনি-বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির পর দেশে এবার যেভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের মানুষ ঈদ করেছে সেটি অভাবনীয়। শুধু তাই নয়, এ বছর দেশের মানুষ যেভাবে  কেনাকাটা করেছে, সমস্ত ব্যবসায়ীরা প্রচণ্ড খুশি এবং দেশের অর্থনীতি চাঙা হয়েছে। এবার দেশে ঈদযাত্রা অনেকটা ভোগান্তিহীন ছিল। সেজন্য মানুষ খুশি। মানুষের মধ্যে এখনো খুশির বন্যা বয়ে যাচ্ছে। মির্জা ফখরুল সাহেব সম্ভবত অন্য গ্রহে বসবাস করেন। অথবা তার মাথার মধ্যে অন্যদেশ ঘুরপাক খায়।

আমার মনে হয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা দরকার। কারণ ওনার বয়স হয়েছে, বয়স হলে অনেক ধরনের আবোল-তাবোল কথা মানুষ বলে, এজন্য তাদের ডাক্তারদের সংগঠন ড্যাবের উচিৎ তার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা করা।