• মঙ্গলবার   ১৬ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ৩১ ১৪২৯

  • || ১৭ মুহররম ১৪৪৪

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
জাতির পিতার মৃত্যু নেই শোক দিবসে বঙ্গভবনে বিশেষ দোয়ার আয়োজন রাষ্ট্রপতির টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে পীরগঞ্জে তাণ্ডবের মামলায় ৫১ আসামির আত্মসমর্পণ বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি ফজিলাতুন নেছা মুজিব দৃঢ়চেতা-বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন: ওয়াং ই চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী শেখ কামাল ছিলেন ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমনা সুকুমার মনোবৃত্তির মানুষ

টিউলিপ নাম হওয়ায় নেদারল্যান্ডস থেকে কম্পিউটার নেয়নি খালেদা জিয়া

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২২  

শেখ রেহেনার মেয়ের নামে নাম হওয়ায় নেদারল্যান্ডসের টিউলিপ কোম্পানি থেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১০ হাজার কম্পিউটার কেনেননি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
বৃহস্পতিবার সকালে নবনির্মিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা '৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিই, প্রযুক্তি শিক্ষার ব্যবস্থা করি এবং সস্তায় কেনার জন্য কম্পিউটার ও এর বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ওপর থেকে শূল্ক কমিয়ে দিই, শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করি।  

‘সেই সঙ্গে আমরা আরেকটি উদ্যোগ নিয়েছিলাম যে, বিভিন্ন স্কুলে আমরা কম্পিউটার দেব। শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার শিখবে। এ জন্য বিভিন্ন কম্পিউটার সংগ্রহ করি। পরে ১০ হাজার কম্পিউটার কেনার একটি প্রকল্প হাতে নিই। কম্পিউটার কেনার জন্য তখন নেদারল্যান্ডসের সরকার একটা প্রস্তাব দিয়েছিল যে, তারা অর্ধেক খরচ দেবে, আমরা দেব বাকিটা। শর্ত হচ্ছে— কম্পিউটার কিনতে হবে নেদারল্যান্ডসের কোম্পানি থেকে। আমরা এতে রাজি হয়ে যাই।’   

শেখ হাসিনা বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে— নেদারল্যান্ডসের একটি ফুলের নাম টিউলিপ আপনারা জানেন। তাদের কম্পিউটার প্রতিষ্ঠানের নামও টিউলিপ নামে। আমাদের অতি জ্ঞানী তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কে জানি বোঝায় যে, শেখ রেহেনার মেয়ের নাম টিউলিপ। কাজেই নেদারল্যান্ডসের সেই কোম্পানিটিও টিউলিপের নামে। কাজেই সেখান থেকে কম্পিউটার নেওয়া যাবে না। তাই উনি নেদারল্যান্ডস থেকে কম্পিউটার আনার বিষয়টি বাতিল করে দেন। ফলে নেদারল্যান্ডসের সেই কোম্পানি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মামলা করে। এ মামলা পরিচালনা করতে আইনজীবী নিয়োগ করতে হয়। এতে অনেক খরচ হয়। বাংলাদেশ একটি শাস্তি পায়। প্রায় ৬০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়। ১০ হাজার কম্পিউটার তো গেলই, উল্টো আরও ৬০ কোটি টাকা দিতে হলে দেশের সরকারপ্রধানের সিদ্ধান্তে।
   
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের সরকারপ্রধান থাকলে দেশের উন্নতি কীভাবে হবে আপনারাই ভালো জানেন। পরে আমরা ক্ষমতায় এসে অ্যানালগ টেলিফোনগুলো ডিজিটাল করে দিই।  দেশে তখন একটা মাত্র মোবাইল ফোন কোম্পানি সেটিও খালেদা জিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খানের। এক একটা ফোনসেটের দাম ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ফোন করলেও প্রতি মিনিটে ১০ টাকা, ধরলেও ১০ টাকা। আমি '৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে এটি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিই। ফলে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। দাম কমে এবং সারা দেশের টেলিযোগাযোগকে আমরা ডিজিটাল করি। সেই সঙ্গে স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের উদ্যোগে নিই।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।