• বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৩ ১৪৩১

  • || ১০ মুহররম ১৪৪৬

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ২১ জুলাই স্পেন যাবেন প্রধানমন্ত্রী আমার বিশ্বাস শিক্ষার্থীরা আদালতে ন্যায়বিচারই পাবে: প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রাণহানি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মার জন্য তাৎপর্যময় ও শোকের দিন আশুরার মর্মবাণী ধারণ করে সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী দুঃখ লাগছে, রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ ‘চীন কিছু দেয়নি, ভারতের সঙ্গে গোলামি চুক্তি’ বলা মানসিক অসুস্থতা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে না দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করুন চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

চীনে নির্মিত বাংলাদেশের যুদ্ধ জাহাজ দুটি মোংলা বন্দরে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২০  

চীনে তৈরি করা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নতুন দুটি যুদ্ধ জাহাজ ‘ওমর ফারুক’ এবং ‘আবু ওবায়দাহ’ বাংলাদেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে জাহাজ দুটি  মোংলা নেভাল জেটিতে এসে পৌঁছেছে।

জানা গেছে, মোংলার দিগরাজ নেভাল ঘাঁটিতে পৌঁছানোর পর রিয়াল অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মূসা জাহাজ দুটিকে স্বাগত জানান। ২২ দিন আগে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে জাহাজ দুটি। পথে মালয়েশিয়ায় যাত্রা বিরতি দিয়ে আবারো রওয়ানা হয়। এগুলোতে চীন এবং বাংলাদেশের নাবিকরা রয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, টাইপ-০৫৩এইচ৩ মডেলের গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেট দুটির প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য ১১২ মিটার এবং প্রস্থ ১২.৪ মিটার। এগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৪ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। তারা জানান, প্রতিটি জাহাজ আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জামে সজ্জিত। রয়েছে অত্যাধুনিক কামান। আকাশে এবং ভূমিতে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, অত্যাধুনিক সারভাইলেন্স রাডার এবং ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমসহ সাবমেরিন বিধ্বংসী রকেট রয়েছে এগুলোতে।

দুর্যোগকালীন সময়েও এগুলো বাংলাদেশের নৌ অঞ্চলে ব্যবহার করা যাবে।