• বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ২ ১৪৩১

  • || ০৯ মুহররম ১৪৪৬

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মার জন্য তাৎপর্যময় ও শোকের দিন আশুরার মর্মবাণী ধারণ করে সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী দুঃখ লাগছে, রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ ‘চীন কিছু দেয়নি, ভারতের সঙ্গে গোলামি চুক্তি’ বলা মানসিক অসুস্থতা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে না দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করুন চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-বেইজিং ৭ ঘোষণাপত্র, ২১ চুক্তি সই চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা

খুলনায় সার্কিট হাউসে ওড়ে বিজয়ের পতাকা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৮  

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করলেও খুলনায় তখনো যুদ্ধ চলছিল। খুলনায় বিজয় হয়েছিল একদিন পর ১৭ ডিসেম্বর।

 

ওই দিন পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার হায়াত খান অস্ত্র সমর্পণের নির্দেশ দিয়ে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা দেন। তবে পাক হানাদার বাহিনীর আত্মসমপর্ণের আগেই ১৭ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মুক্তিযোদ্ধারা বিনা বাধায় পৌঁছে যান শহরের কেন্দ্রস্থলে। মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে অবরুদ্ধ স্বাধীনতাকামী মানুষ বেরিয়ে আসে রাস্তায়। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে আকাশ-বাতাস।

স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা স ম বাবর আলী বলেন, ওই সময় নবম সেক্টরের কমান্ডার মেজর জয়নাল আবেদীন ও গাজী রহমতউল্লাহ দাদুর নেতৃত্বে ১৭ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুক্তিযোদ্ধারা খুলনা সার্কিট হাউজ দখল করে নেন। এরপর মেজর জয়নাল আবেদীন ও রহমতউল্লাহ দাদু যৌথভাবে সর্বপ্রথম সার্কিট হাউজে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। অন্যদিকে আমি (স ম বাবর আলী), আবুল কালাম আজাদ, রেজাউল করিম, রফিকুল ইসলাম ও অন্য মুক্তিযোদ্ধারা একইভাবে শহীদ হাদিস পার্কে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। তিনি আরো বলেন, খুলনা বিজয় অভিযানের নায়ক মেজর জয়নাল আবেদীন তার স্মৃতিকথায় এ তথ্য উল্লেখ করেছেন।

স্মৃতিকথায় মেজর জয়নাল আবেদীন উল্লেখ করেন, আমাদের মিত্রবাহিনী খুলনা প্রবেশের আট ঘণ্টা পূর্বেই হানাদার শত্রুবাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় এবং তারা রেডিও ভাষণের আলোকে আত্মসমর্পণ করেনি। বরং মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যুদ্ধক্ষেত্রেই পরাজয় বরণ করে। ১৬ ডিসেম্বর যেদিন ঢাকায় অস্ত্র সমর্পণের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানি সেনারা যুদ্ধ বন্ধ করে আত্মসমর্পণ করে তখন খুলনার শিরোমণি এলাকায় পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে মুক্তি ও মিত্র বাহিনীর তীব্র লড়াই চলছিল। মুক্তি ও মিত্র সেনারা উজ্জীবিত ও বিজয়ের আনন্দে উদ্বেলিত থাকলেও হানাদার পাকিস্তানি সেনারা প্রবলভাবে প্রতিরোধ করে চলেছিল।

তিনি আরো লিখেছেন, পরিকল্পিত এ আক্রমণের মুখে পাক সেনারা তাদের মরণপণের ইচ্ছাটি ধরে রাখতে পারেনি। পাক সেনাদের মনোবল ভেঙে যায়। মুক্তি ও মিত্র বাহিনীর সম্মিলিত তীব্র আক্রমণের মুখে ব্রিগেডিয়ার হায়াত তার নিউজপ্রিন্টের ডেরা থেকে বেরিয়ে এসে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।