• শনিবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ২ ১৪২৮

  • || ০৯ সফর ১৪৪৩

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধু ভাষণের দিনকে এবারও ‘বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে’ ঘোষণা ফিনল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী `লাশের নামে একটা বাক্সো সাজিয়ে-গুজিয়ে আনা হয়েছিল` টকশোতে কে কী বলল ওসব নিয়ে দেশ পরিচালনা করি না: প্রধানমন্ত্রী উপহারের ঘরে দুর্নীতি তদন্তে দুদককে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়াকে আসামি করতে চেয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী এটা তো দুর্নীতির জন্য হয়নি, এটা কারা করল? ওজোন স্তর রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে ওজোন স্তর রক্ষায় সিএফসি গ্যাসনির্ভর যন্ত্রের ব্যবহার কমাতে হবে ১২ বছরের শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় আসছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ দিবেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে শোক প্রস্তাব নিতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী এই সংসদে একের পর এক সদস্য হারাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার রূপরেখা সাজানোর নির্দেশ শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী আগেরবার সব ভালো কাজের জন্য মামলা খেয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী উৎপাদন খরচ অনেক, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি ঘরে আলো জ্বলবে: প্রধানমন্ত্রী

শেবাচিমে রোগীর স্বজনদের ফ্রী খাবারের ব্যবস্থা করেছে হোটেল মালিকরা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০২১  

বরিশাল প্রতিনিধি: শেবাচিম হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার হোটেলে মালিক দের উদ্যোগে গতকাল শনিবার ও আজ রবিবার ৭-৮শত  লোকের মাঝে এই খাবার বিতরণ করা হয়।

হোটেল মালিক অলিউর রহমান জানান, বেশিরভাগ রোগী ও স্বজনের তিন বেলা খাবারের চাহিদা মেটায় হাসপাতাল সংলগ্ন ১০টি হোটেল। শুক্রবার রাতে পুলিশ  পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত হোটেলগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।  ফলে শনিবার থেকে হাসপাতাল এলাকা সবগুলো খাবার হোটেল বন্ধ রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েন রোগী ও স্বজনরা

বরিশালে কঠোর লকডাউন কার্যকরে খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্তে মারাত্মক সংকটে পড়েছেন হাসপাতালে থাকা রোগীর স্বজনরা। এমন অবস্থায় তাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন হাসপাতালের সামনে থাকা হোটেল মালিকরা। খিচুড়ি রান্না করে তা বিনামূল্যে বিতরণ করেন ১০ হোটেলের মালিক। তবে পরবর্তী খাবারের অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে দেড়সহস্রাধিক রোগী ভর্তি থাকে। প্রতি রোগীর সঙ্গে গড়ে স্বজন থাকেন দুজন। সেই হিসাবে প্রতিদিন শেবাচিম হাসপাতালে রোগী ও স্বজন থাকে প্রায় পাঁচ হাজার।

হাসপাতাল থেকে শুধু রোগীদের খাবার দেয়া হয়। তবে মান কম হওয়ায় বেশিরভাগ রোগীই তা খান না। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আসা রোগী ও স্বজনদের তিন বেলা খাবারের ভরসা হাসপাতালের দোকানগুলো। প্রশাসনের সিদ্ধান্তে হোটেল বন্ধ থাকায় শনিবার সকালে খাবার সংকটে পড়েন রোগী ও স্বজনরা।

হোটেল মালিক অলিউর বলেন , ‘সকালে হোটেল বন্ধ দেখে খাবারের জন্য রোগীর স্বজনদের মধ্যে হা-হুতাশ শুরু হয়। গোটা নগরীর হোটেল বন্ধ থাকায় তারা বিপাকে পড়েন। খাবারের জন্য হৈ-চৈ শুরু করে দেন।

এই ‘দুর্দশা দেখে ১০ হোটেল মালিক একত্রিত হয়ে চাল-ডাল দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে বিনামূল্যে বিতরণ করে। রোগীদের কয়েক শ স্বজন লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে সেই খিচুড়ি নেন। তবে পরবর্তী খাবারের কী হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।’

নগরীর সব হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকায় শুধু রোগীর স্বজন নয় একই দুর্ভোগে পড়েছেন বিভিন্ন মেসের বাসিন্দা, নিম্নআয়ের মানুষ এবং বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রোগী ও স্বজনরা।