শুক্রবার   ০৩ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ২০ ১৪২৬   ০৯ শা'বান ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
প্রতি উপজেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আজ থেকে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সেনাবাহিনী মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনা করছে বিএনপি : কাদের দেশে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২৬ জন সুস্থ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে সরকার বিবেচনা করবে: সেনাপ্রধান ঘরে বসে পড়াশোনা করতে হবে, শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখ‌ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স পিপিই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জনসমাগম করবেন না: প্রধানমন্ত্রী
৫৯

৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের ৩ শতাংশই চোখের গ্লুকোমায় ভুগছে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০২০  

বিশ্বে প্রায় ৮ কোটি মানুষ চোখের গ্লুকোমা জনিত রোগ অন্ধত্বে ভুগছেন। যার একটি বড় অংশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। এ ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে পঁয়ত্রিশ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে শতকরা ৩ ভাগ মানুষ রোগটির শিকার।

গত শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে বিশ্ব গ্লুকোমা সচেতনতা সপ্তাহের শেষদিনে বাংলাদেশ গ্লুকোমা সোসাইটির উদ্যোগে ধানমন্ডির একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সভায় চক্ষু রোগ চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, নীরব অন্ধত্বের বড় কারণ রোগটির প্রতিকার না থাকায় প্রতিরোধই একমাত্র উপায়।

বাংলাদেশ গ্লুকোমা সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মিজানুর রহমান আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বিশেষজ্ঞরা বলেন, রক্তের চাপের মতো চোখেরও একটি নির্দিষ্ট চাপ থাকে। কোনো কারণে এই চাপ বৃদ্ধি পেলে চোখের অপটিক নার্ভের মারাত্মক ক্ষতি হয়। ধীরে ধীরে নার্ভটি শুকিয়ে যায়। ফলে দৃষ্টির পরিসীমা কমতে থাকে। এক পর্যায়ে চোখ দৃষ্টিহীন হয়ে যেতে পারে।

তারা বলেন, সবচেয়ে আশঙ্কার কথা হলো শিশু থেকে বয়স্ক যে কারোরই চোখে গ্লুকোমার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া পরিবারের কারো রোগটির ইতিহাস থাকা, চোখে আঘাত পাওয়া ও ডায়াবেটিসের কারণেও এটি হতে পারে।

একবার দৃষ্টিশক্তি কিছুটা নষ্ট হলে সেটুকু আর ফিরে পাওয়া যায় না। কিন্তু ৯০ শতাংশ রোগী যেটি বুঝতে পারে না। এটি নীরবে চোখকে অন্ধত্বের দিকে নিয়ে যায়।

আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বলেন, সময়মতো গ্লুকোমার চিকিৎসা না করায় প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ অন্ধত্বের শিকার হচ্ছে।

সংগঠনের মহাসচিব ডা. সালমা পারভীন বলেন, স্থায়ী অন্ধত্বের বড় কারণ গ্লুকোমা সমস্যা। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ সনাক্ত করে চিকিৎসা নিতে পারলে এটি অনেকটাই প্রতিরোধ সম্ভব।