বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৯ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
দেশের কল্যাণে প্রয়োজনে বাবার মতো জীবন দেবো: শেখ হাসিনা বিমানে উড়ে বাংলাদেশ এল ২২৫টি গরু! বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্থ ২৭ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তা দেশে রফতানি বাড়াতে দরকার পরিবহন খাতে উন্নয়ন: বিশ্বব্যাংক মা হারানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিলেন উপমন্ত্রী শামীম মালয়েশিয়ায় বীমার আওতায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের প্রয়োজন নেই: সেতুমন্ত্রী ঘুরে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের মেয়েদের শেখ হাসিনার নেতৃত্ব মানুষের দিন বদল হয়েছে-তথ্যমন্ত্রী ৭৫ পরবর্তীতে অনেকে উচ্ছিষ্টের লোভে দল ছেড়ে চলে গেছেন: নওফেল নকল মুদ্রা দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ৯ বাংলাদেশ থেকে কেউ বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা চালাতে পারবে না সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে আসছে কোটি কোটি টাকার কোকেন! বাবার সঙ্গে কঙ্গনার সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সুরাজ! ব্যাটসম্যানদের টেস্ট মেজাজে ব্যাট করতে হবে: দুর্জয় ববি উপাচার্যের এর সাথে গনিত অলিম্পিয়াডে বিজয়ীর সাক্ষাত অপরাধী সরকারি কর্মচারী হলেও ব্যবস্থা -প্রধানমন্ত্রী ৫০০ ক্যাম্প-কারাগারে বন্দী চীনের উইঘুর মুসলিমরা সেনাবাহিনীর ৫ ইউনিটকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান আবরার হত্যার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী
৯৫

৩০ বছরে সন্তান নিলে বাচ্চা হবে মেধাবী ও স্মার্ট

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 


সবারই স্বপ্ন থাকে পছন্দের মানুষের সঙ্গে নিজের একটি সংসার হবে। সে সংসার আনন্দ আর ভালোবাসায় ভরে থাকবে ছোট্ট একটি শিশুর হাসিতে। প্রথম সন্তান নিয়ে বাবা-মায়ের থাকে হাজারো স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। 

আজকাল পড়াশোনা শেষ করে, চাকরি সামলে বিয়ে করতেই বেশ বয়স হচ্ছে মেয়েদের। আর মা হতে কিছুটা দেরিই হয়ে যাচ্ছে। অনেকেরই বয়স ৩০ পেরিয়েছে তবুও সন্তান নেওয়া হয়ে ওঠেনি। এমন সময় অনেকেই ভয় পান বেশি বয়সে সন্তান নিলে কেমন যেন হয়, তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকলে ৩০ বছরে সন্তান নিলেও তেমন সমস্যা হয় না। বরং বাচ্চা হবে মেধাবী ও স্মার্ট। 

যারা ৩০ বছরের পরে সন্তান জন্ম দেন তাদের জরায়ু ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে যায়। শিশুর জন্মের সময় মায়ের মানসিক ও শারীরিক উভয়ই সুস্থ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বয়স হলে নারীদের সন্তান জন্ম দেওয়ার মানসিক প্রস্তুতিও থাকে। ফলে গর্ভের সন্তান ও নিজের যত্নে অনেক বেশি সচেতন থাকেন।  

শুধু ত্রিশের পরেই নয়, কোনো বয়সেই মা হওয়ার সময়টায় ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন ডি, ‍আয়রন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ‍আর একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো চলতে হবে।