সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৭ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পৃথিবীতে এত ধর্ম কেন? ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদকবিক্রেতা আটক কাজাখস্তান গেলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দিনে ১০ হাজারের বেশি কনটেইনার হ্যান্ডেলিং হচ্ছে বন্দরে বিএনপির ৩ নেতাকে নিয়মিত টাকা দিতেন জি কে শামীম বরিশালে কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৩ এক মাসে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে ২০ লাখ : বিটিআরসি সেই ডিসির নারী কেলেঙ্কারির সত্যতা বাচ্চাকে মারধর করায় থানা ঘেরাও হনুমানের! জাতীয় নারী দাবায় শীর্ষস্থানে রানী হামিদ ইউজিসির কাঠগড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ ভিসি ক্যাসিনোতে মিলল ধর্মীয় উপাসনা সামগ্রী! বিজয়নগর সায়েম টাওয়ার থেকে ১৭ জুয়ারী আটক ১৩ নেপালিকে মোটা অংকের বেতনে রাখা হয় জুয়া চালাতে স্পা সেন্টার থেকে আটক ১৬ নারী, ৩ পুরুষ আরও ১০ লক্ষ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান করা হবে- পলক আবুধাবি থেকে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী অজুহাতে কাজ আটকে রাখলে কঠোর ব্যবস্থা: গণপূর্তমন্ত্রী ব্যাংক নোটের আদলে টোকেন ব্যবহার করা যাবে না ঢাকা আসছেন বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘের দূত
২৬

২০২০ সালে জেএসসিতে জিপিএ-৪, এসএসসি-এইচএসসিতে ২১ সালে

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 

পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে জিপিএ-৪ প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তে ২০২০ সালের জেএসসি এবং ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৪ এর ভিত্তিতে ফলাফল দেওয়া হবে।
রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অংশীজনদের নিয়ে এক কর্মশালায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
 সভা শেষে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক  বলেন, আমরা একমত হয়েছি পাবলিক পরীক্ষার ফল জিপিএ-৫ থেকে জিপিএ-৪ এ নিয়ে আসবো।
 ‘জিপিএ-৪ এর ভিত্তিতে ২০২০ সালের জেএসসি এবং ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।’
 তিনি আরও বলেন, অন্যান্য পরীক্ষাগুলোর ফলাফল জিপিএ-৪ এর ভিত্তিতে দেওয়ার বিষয়ে পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
 বহির্বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থায় জিপিএ-৫ না থাকায় এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও জিপিএ-৪-এ ফল প্রকাশ হওয়ায় বিদেশে পড়াশোনা ও চাকরির বাজারে উদ্ভূত সমস্যা নিরসনেই মূলত গ্রেড পয়েন্ট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
 শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০০১ সালে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়। ৮০-১০০ নম্বরে গ্রেড ৫, ৭০-৭৯ নম্বরে ৪, ৬০-৬৯ নম্বরে ৩.৫০, ৫০-৫৯ নম্বরে ৩, ৪০-৪৯ নম্বরে ২, ৩৩-৩৯ নম্বরে ১ এবং শূন্য থেকে ৩২ নম্বরে গ্রেড পয়েন্ট শূন্য ধরা হয়। লেটার গ্রেডে যথাক্রমে এ প্লাস, এ, এ মাইনাস, বি, সি, ডি এবং এফ গ্রেড। লেটার গ্রেড ১ পেলে পাস এবং এফ গ্রেড পেলে অনুত্তীর্ণ ধরা হয়।
 আর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সব বিষয়ে ৮০ এর উপরে নম্বর পেলে সিজিপিএ-৪, ৭৫-৮০ নম্বরে ৩.৭৫, ৭০-৭৫ নম্বরে ৩.৫০, ৬৫-৭০ নম্বরে ৩.২৫, ৬০-৬৫ নম্বরে ৩, ৫৫-৬০ নম্বরে ২.৭৫, ৫০-৫৫ নম্বরে ২.৫০, ৪৫-৫০ নম্বরে ২.২৫, ৪০-৪৫ নম্বরে ২ এবং ৪০ নম্বরের কম পেলে অনুত্তীর্ণ ধরা হয়। লেটার গ্রেডে যথাক্রমে- এ প্লাস, এ, এ মাইনাস, বি প্লাস, বি, বি মাইনাস, সি প্লাস, সি, ডি এবং এফ গ্রেড।
 সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর