শনিবার   ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৬ ১৪২৬   ০৫ রজব ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ দিয়েছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মশা যেন ভোট খেয়ে না ফেলে, নতুন মেয়রদের প্রধানমন্ত্রী তাপস-আতিককে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী আমার কাছে রিপোর্ট আসছে, কাউকে ছাড়ব না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় কিস্তির ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিটিআরসিকে দিল রবি মাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আজকের স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা ২০৪১ এর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর যে কোন অর্জনের পেছনে দৃঢ় মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পেলেন ১৭২ শিক্ষার্থী আজ ১৭২ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন অশান্ত দিল্লিতে কারফিউ, নিহত ১৭ পিকে হালদারসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ বহাল ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় ১৪ দিনেই ভালো হচ্ছেন করোনা রোগী : আইইডিসিআর মুশফিক-নাঈমে ইনিংস ব্যবধানে দূর্দান্ত জয় টাইগারদের আগৈলঝাড়ায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার
১৩৩

হাতে বানানো ব্যাট দিয়ে ক্রিকেটে পথচলা শুরু দীপুর

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

 

শৈশবে হাতে বানানো ব্যাট দিয়ে কম বেশি খেলেছেন সবাই। ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরুর গল্পটা এমনই ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দলের খেলোয়াড় শাহাদাত হোসেন দীপুর।


২০১০ সালে বাবাকে হারানোর পর অনেক কন্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে দীপুকে। বিকেএসপি’র ট্রায়ালে অংশ নিতে হাতে তৈরি কাঠের ব্যাট নিয়ে গিয়েছিলেন মাঠে। ট্রায়ালেই সুনজরে পড়েছেন বিকেএসপি’র এক শিক্ষকের। পরে অবশ্য দু’দফা ক্যাম্প শেষে বাদ পড়তে হয় তাকে। কিন্তু ক্রিকেটার হওয়ার বাসনা পূরণে পাশে এসে দাঁড়ালেন পাড়ার বড় ভাই সুদীপ্ত। তাকে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করিয়ে দিলেন চট্টগ্রামের ইস্পাহানী ক্লাবে।

পরিবারের টানাপোড়েনের মাঝেও ভাইয়ের ইচ্ছা পূরণ করতে বড় ভাই আবুল হোসেন বাবু ছিলেন পাশে। তাই তো দীপুর মা ফেরদৌস বেগমের চোখে পরিবারের একমাত্র হিরো- বাবু।

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই গ্রামে বাড়ি হলেও বাবা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চাকরির সুবাদে পুরো পরিবার ১৯৮৩ সাল থেকে আছেন নগরের শুলকবহর এলাকায়।

দীপুর কথা বলতে আনন্দের কান্নায় কন্ঠ ভারি হয়ে এলেও বড় ছেলে বাবুকে এ সাফল্যের অংশীদার করতে ভুলেননি মা।

মা ও ভাইয়ের সঙ্গে শাহাদাত হোসেন দীপু।ছেলের এমন সাফল্যে দীপুর মা ফেরদৌস বেগম  বলেন, দীপুর খেলার আগ্রহ ছিল বেশি। হাতে বানানো ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে বিকেএসপি’র ট্রায়াল দিতে যায় সে। তিন মাস ক্যাম্প শেষ করে বিকেএসপি’তে সুযোগ না হওয়ায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিল ছেলেটা। পরে পাড়ার ছেলে সুদীপ্ত তাকে ইস্পাহানী ক্লাবে ভর্তি করিয়ে দেন। একমাস বেতন নিলেও পরে ফ্রীতে খেলার সুযোগ করে দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বিভিন্নজনের ধার করা প্যাড, গ্লাভস, জার্সি নিয়ে চলে দীপুর ক্রিকেটে পথচলা।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) পচেফস্ট্রুমে চারবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে এ সাফল্য পায় বাংলাদেশের যুবারা। আর শিরোপা জয়ী দলের একজন সদস্য শাহাদাত হোসেন দীপু।

ফাইনাল ম্যাচে তেমন কিছু করতে না পারলেও স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিনি খেলেছেন ৭৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস। এবারের যুব বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচে এক হাফ সেঞ্চুরিতে মোট রান করেছেন ১৩১। স্ট্রাইক রেট প্রায় ৭৪। হাঁকিয়েছেন ১১ চার ও ১ ছক্কা।

এই বিভাগের আরো খবর