• সোমবার   ০৬ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২২ ১৪২৬

  • || ১২ শা'বান ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন হলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: অর্থমন্ত্রী করোনা: ৭৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা না দিলেই ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতি উপজেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আজ থেকে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সেনাবাহিনী মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনা করছে বিএনপি : কাদের দেশে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২৬ জন সুস্থ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে সরকার বিবেচনা করবে: সেনাপ্রধান ঘরে বসে পড়াশোনা করতে হবে, শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখ‌ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স পিপিই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
১৪৭

হাতে বানানো ব্যাট দিয়ে ক্রিকেটে পথচলা শুরু দীপুর

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

 

শৈশবে হাতে বানানো ব্যাট দিয়ে কম বেশি খেলেছেন সবাই। ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরুর গল্পটা এমনই ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দলের খেলোয়াড় শাহাদাত হোসেন দীপুর।


২০১০ সালে বাবাকে হারানোর পর অনেক কন্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে দীপুকে। বিকেএসপি’র ট্রায়ালে অংশ নিতে হাতে তৈরি কাঠের ব্যাট নিয়ে গিয়েছিলেন মাঠে। ট্রায়ালেই সুনজরে পড়েছেন বিকেএসপি’র এক শিক্ষকের। পরে অবশ্য দু’দফা ক্যাম্প শেষে বাদ পড়তে হয় তাকে। কিন্তু ক্রিকেটার হওয়ার বাসনা পূরণে পাশে এসে দাঁড়ালেন পাড়ার বড় ভাই সুদীপ্ত। তাকে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করিয়ে দিলেন চট্টগ্রামের ইস্পাহানী ক্লাবে।

পরিবারের টানাপোড়েনের মাঝেও ভাইয়ের ইচ্ছা পূরণ করতে বড় ভাই আবুল হোসেন বাবু ছিলেন পাশে। তাই তো দীপুর মা ফেরদৌস বেগমের চোখে পরিবারের একমাত্র হিরো- বাবু।

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই গ্রামে বাড়ি হলেও বাবা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চাকরির সুবাদে পুরো পরিবার ১৯৮৩ সাল থেকে আছেন নগরের শুলকবহর এলাকায়।

দীপুর কথা বলতে আনন্দের কান্নায় কন্ঠ ভারি হয়ে এলেও বড় ছেলে বাবুকে এ সাফল্যের অংশীদার করতে ভুলেননি মা।

মা ও ভাইয়ের সঙ্গে শাহাদাত হোসেন দীপু।ছেলের এমন সাফল্যে দীপুর মা ফেরদৌস বেগম  বলেন, দীপুর খেলার আগ্রহ ছিল বেশি। হাতে বানানো ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে বিকেএসপি’র ট্রায়াল দিতে যায় সে। তিন মাস ক্যাম্প শেষ করে বিকেএসপি’তে সুযোগ না হওয়ায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিল ছেলেটা। পরে পাড়ার ছেলে সুদীপ্ত তাকে ইস্পাহানী ক্লাবে ভর্তি করিয়ে দেন। একমাস বেতন নিলেও পরে ফ্রীতে খেলার সুযোগ করে দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বিভিন্নজনের ধার করা প্যাড, গ্লাভস, জার্সি নিয়ে চলে দীপুর ক্রিকেটে পথচলা।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) পচেফস্ট্রুমে চারবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে এ সাফল্য পায় বাংলাদেশের যুবারা। আর শিরোপা জয়ী দলের একজন সদস্য শাহাদাত হোসেন দীপু।

ফাইনাল ম্যাচে তেমন কিছু করতে না পারলেও স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিনি খেলেছেন ৭৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস। এবারের যুব বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচে এক হাফ সেঞ্চুরিতে মোট রান করেছেন ১৩১। স্ট্রাইক রেট প্রায় ৭৪। হাঁকিয়েছেন ১১ চার ও ১ ছক্কা।

খেলাধুলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর