সোমবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ১ ১৪২৬   ১৬ মুহররম ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
রোহিঙ্গা ভোটার খতিয়ে দেখতে চট্টগ্রামে কবিতা খানম আগামী ১০মাসের রোডম্যাপ তৈরি ও তার বাস্তবায়ন করবো - জয় ও লেখক ডেঙ্গুতে সরকারি হিসেবে ৬৮ জনের মৃত্যু আ. লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা ১৮ সেপ্টেম্বর বরিশাল নগরীতে আসছে স্মার্ট এলইডি লাইটিং বঙ্গবন্ধুর নাতনি টিউলিপের জন্মদিন আজ আজ থেকে ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি বিশ্ব ওজন দিবস আজ শিগগিরই বন্দর-ট্রেনে যুক্ত হচ্ছে ত্রিপুরা-বাংলাদেশ দিল্লিতে শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠক ৫ অক্টোবর সারাদেশে ৭৫ প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ এ পি জে আব্দুল কালাম স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত শেখ হাসিনা টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ বরিশালকে যানজট মুক্ত রাখতে কাজ করছে ট্রাফিক সদস্যরা- ডিসি ট্রাফিক সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন : প্রধানমন্ত্রী বরিশালে কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম প্রয়াণ বার্ষিকী অনুষ্ঠিত রাজশাহীর পুলিশ একাডেমিতে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গণপরিবহনে মাসিক বেতনে চালক নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের সারদার পথে প্রধানমন্ত্রী
১৫৪০

স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে ছেলেধরা গুজবের শিকার শিক্ষা কর্মকর্তা

প্রকাশিত: ২৪ জুলাই ২০১৯  

ছেলেধরা সন্দেহে সারাদেশে গুজব চলছেই। এরই ধারাবাহিকতাই এবার প্রশাসনিক কাজে স্কুল পরিদর্শনে এসে চট্টগ্রাম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা ছেলেধরা সন্দেহের শিকার হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার দুপুরে নগরীর উত্তর কাট্টলী মুন্সি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে এসে অভিভাবকদের সন্দেহের কবলে পড়েন চট্টগ্রাম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এডিপিও তাপস পাল। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের সহযোগিতায় পরে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পান।

স্থানীয়রা জানান, গত রোববার উত্তর কাট্টলী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন শিক্ষার্থীর মাথা সংগ্রহ করা হবে বলে এলাকায় একটি গুজব রটে।

সোমবার সকালে স্কুলে আসেন শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস পাল। এসময় অচেনা মানুষকে স্কুলে প্রবেশ করতে দেখে একের পর এক অভিভাবকরা এসে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা স্কুল কার্যালয়ের সামনে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে। ঘটনার কথা জানতে পেরে অন্যান্য অভিভাবকরাও স্কুল কর্তৃপক্ষকে ফোন করতে শুরু করে।

এ সময় ওই শিক্ষা কর্মকর্তা ছেলের মাথা নেওয়ার ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি করছে বলেও গুজব রটিয়ে দেয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিকে এ ঘটনার কথা জানায়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিভাবক আওয়ামী লীগ নেতা আবু সুফিয়ান জানান, স্কুলে শিশুর মাথা নিতে লোকজন আসবে বলে গুজব রটে। এমন পরিস্থিতিতে স্কুলে ওই শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে অভিভাবকরা গুজবের ঘটনাকে সত্য মনে করে সন্দেহ করতে থাকে। ঘটনার কথা শুনে আমি স্কুলশিক্ষককে ফোন করি।

তিনি বলেন, স্কুলশিক্ষক আমাকে পুরো ঘটনা জানান এবং তাড়াতাড়ি স্কুলে আসতে বলেন। আমি যখন স্কুলে আসি তখন দেখি করিডরে থেকে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা অভিভাবকদের শান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। পরে পাহাড়তলী থানার ওসিকে ফোন করলে তিনি একজন এসআই ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য পাঠান। ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে অভিভাবকরা কিছুটা শান্ত হন। কিন্তু তাদের সন্দেহ কমে না। পুলিশের উপস্থিতিতে পরবর্তীতে স্কুল ছুটি হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ঘটনার ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গুজব রটিয়ে ঘটনা সৃষ্টি করার চেষ্টা হতে পারে। পরে থানার ওসি এসে ক্লাসে ক্লাসে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়েছেন। এ বিষয়ে সমাবেশ করে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হবে।

এই বিভাগের আরো খবর