বৃহস্পতিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১০ ১৪২৬   ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পদ্মাসেতুতে বসলো ২২তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৩৩০০ মিটার জাতীয় প্রশিক্ষণ দিবস আজ বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ : ২য় সেমিফাইনালে মাঠে নামছে বাংলাদেশ এ খাবারগুলো খেলেই বিপদ! ১২৭ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে জ্বালানি শেষ, অতঃপর...! জাদুকরী স্বপ্ন দেখাব না : তাপস কাউকে তাড়ানোর আগে আমাকে ভারত ছাড়া করতে হবে : মমতা গণতন্ত্র সূচকে ৮ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের র‌্যাবের নামে চাঁদা দাবির ঘটনায় আটক ১ ৯৯৯ ফোন করে বখাটের হাত থেকে রক্ষা পেলো স্কুলছাত্রী ছাত্রীদের টিফিনের টাকায় বঙ্গবন্ধুর হাজারো ছবি কক্সবাজার সৈকতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ স্বর্ণদ্বীপ যাচ্ছেন ভারতে শিরোপা জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা সারওয়ার আলীকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার ধনী হতে চাইলে রপ্ত করুন এই ১২টি অভ্যাস নিরাপদে লাহোর পৌঁছেছেন টাইগাররা আজ আইসিজেতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ক্যাসিনো ব্রাদার্সের ১৩০ ফ্ল্যাটের খোঁজ ফার্নিচার রপ্তানি ১০ কোটি ডলার ছাড়াবে ৭০০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, রেলের ৫ একর জায়গা উদ্ধার
১০৯

সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহে পানির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

প্রথমবারের মতো জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি দূরবর্তী নক্ষত্রের সম্ভাব্য বাসযোগ্য অঞ্চলের কক্ষপথের একটি গ্রহে পানি থাকার প্রমাণ পেয়েছেন। কে২-১৮বি নামের গ্রহটিতে পানির সন্ধান পাওয়ার পর তাতে প্রাণের অস্তিত্ব অনুসন্ধানের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গ্রহটিতে পানি আবিষ্কারের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বিজ্ঞান জার্নাল ন্যাচার অ্যাস্ট্রনমিতে। এই গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের অধ্যাপক জিওভান্না টিনেট্টি এই আবিষ্কারকে অভূতপূর্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন মহাকাশ টেলিস্কোপ আবিষ্কার হওয়ার পর নিশ্চিতভাবে জানা যাবে কে২-১৮বি গ্রহটিতে জীবনের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন আগামী ১০ বছরের মধ্যে বিষয়টি জানা যাবে।

অধ্যাপক টিনেট্টি বলেন, এই প্রথমবারের মতো আমরা একটি নক্ষত্রের সম্ভাব্য বাসযোগ্য এলাকা ঘিরে থাকা গ্রহে পানি আবিষ্কার করেছি। সেখানকার তাপমাত্রা সম্ভবত প্রাণের অস্তিত্বের জন্যের অনুকূল।

কে২-১৮বি পৃথিবী থেকে ১১১ আলোক-বর্ষ অর্থাৎ প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন মিলিয়ন মাইলস দূরে। ফলে তদন্তের জন্য কিছু পাঠানো যাচ্ছে না। ২০২০ সালে নতুন প্রজন্মের মহাকাশ টেলিস্কোপ চালু হলে তা দিয়ে বিষয়টি জানা যেতে পারে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের ড. ইঙ্গো ওয়াল্ডম্যান বলেন, অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার প্রশ্নটি বিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সব সময়েই ভেবেছি বিশ্বমণ্ডলে কি আমরাই একা। আগামী ১০ বছরের মধ্যে আমরা জানতে পারব সেখানে জীবন থাকার মতো রাসায়নিক পদার্থের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা।

এর আগে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সৌরজগতে পৃথিবীর আকৃতির সাতটি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সৌরজগতের নিকটবর্তী একটি নক্ষত্রকে ঘিরে এই সাতটি গ্রহ ঘূর্ণায়মান রয়েছে। বিজ্ঞানীরা তখন জানিয়েছিলেন, এ সাতটি গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

এই বিভাগের আরো খবর