বৃহস্পতিবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৭ ১৪২৬   ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুক্রবার একুশে পদক মেধা ও মনন চর্চার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করবে : রাষ্ট্রপতি আজ একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী এনামুল বাছিরের পদোন্নতির আবেদন হাইকোর্টে খারিজ জাপানের সঙ্গে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সুস্থ যুব সমাজের বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনর্বিবেচনা করা হবে : অর্থমন্ত্রী মুঠোফোন প্রতারক জিনের বাদশা গ্রেফতার করোনাভাইরাস নিয়ে গুজবে কান দিবেন না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাগর তীরে উঁচু স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও না করলে দেশ আরো এগিয়ে যেত : তথ্যমন্ত্রী শহীদ দিবসে জঙ্গি হামলার কোনো সম্ভাবনা নেই : ডিএমপি কমিশনার দেশে ব্রয়লারসহ কোন পশু-পাখির মধ্যে করোনা পাওয়া যায়নি : আইইডিসিআর বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ এখন অনুকরণীয়: শ ম রেজাউল ওআইসিকে শক্তিশালী করতে চাই: ড. মোমেন ধর্ষকদের ধরিয়ে দিন, কঠোর ব্যবস্থা নেবো: প্রধানমন্ত্রী টাকা না থাকলে এত উন্নয়ন কাজ করছি কীভাবে : প্রধানমন্ত্রী সব ব্যথা চেপে রেখে দেশের জন্য কাজ করছি : প্রধানমন্ত্রী ট্রেনে খোলা খাবার বিক্রি ও প্লাস্টিকের কাপ নিষিদ্ধ হচ্ছে চলতি বছরে জিপিএ-৪ কার্যকর হচ্ছে
৫২

সন্তানের মিথ্যা বলার প্রবণতা কমাবেন যেভাবে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২০  

মনোবিদদের মতে শিশুদের মিথ্যা কথা বলার প্রবণতাকে এক দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়। কোন শিশু কল্পনাপ্রবণ, আর কোন শিশু বিশেষ উদ্দেশ্যে মিথ্যা বলছে তা আগে বোঝা দরকার। কারণে-অকারণে মিথ্যা বলার প্রবণতা অভ্যাসে পরিণত হলে তা শিশুর ভবিষ্যতের জন্য বিপদজনক। কেননা মিথ্যা বলার কারণে সন্তানকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে সমস্যা হয় অভিভাবকদের।

শিশুরা কেন মিথ্যা বলে?
* কোন কোন শিশু খুবই কল্পনাপ্রবণ। তাই সে মিথ্যের আশ্রয় নিতে পারে।

* কোন কোন শিশু বিশেষ উদ্দেশ্যে মিথ্যা কথা বলে। যেমন, হয়তো তার সেদিন হোম ওয়ার্ক হয়নি, তাই সেদিন স্কুলে না যাওয়ার জন্য সে পেটে ব্যথা, মাথা ব্যথা বলে থাকে।

* মা-বাবা খুব রাগী হলেও অনেকে মিথ্যা বলে।

* বড়োদের মতোই অপ্রিয় সত্য কথা গোপন করতে শিশুরা মিথ্যা বলে।

শিশুর মিথ্যা রুখতে কী করবেন?

* শিশুরা যা দেখে তাই শেখে। তাই আগে নিজেকে সংশোধন করুন। কেননা শিশুরা দেখে শেখে, তাই বাড়ির বড়রা যদি মিথ্যা বলে শিশুরাও মিথ্যা বলতে শিখবে।

* শিশুর মিথ্যা 'ধরা' পড়ে গেলে ওকে মারধর করবেন না। বরং ঠাণ্ডা মাথায় বোঝান। কারণে-অকারণে মিথ্যা বলতে নেই। যেসব শিশু কল্পনাপ্রবণ, তাদের কথাগুলোকে মজার গল্প বলে প্রশংসা করুন।

* মনোবিদদের মতে ৬ বছর বয়সের পর শিশুদের ‘সুপার ইগো’র বিকাশ ঘটে। তার ফলে কোনটা ঠিক, আর কোনটা ভুল সে বুঝতে শেখে। এই সময় নীতিকথামূলক গল্প শোনান।

শিশুদের সত্যি কথা বলার শিক্ষা অবশ্যই দেবেন। তবে একটু বড় হলে, মতামত দেওয়ার সময় যে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হয়, সেটা ওকে বুঝিয়ে দেওয়া ভাল।