মঙ্গলবার   ১০ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৬ ১৪২৬   ১২ রবিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
পদ্মাসেতুর ১৮ তম স্প্যান বসবে কাল আগৈলঝাড়ায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত সংঘাত নয়, আলোচনায় হবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ভ্যাট দিবস আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস আজ আজ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী বেকার মানি না, দেশে কাজের অভাব নেই: পরিকল্পনামন্ত্রী বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা রোধ করুন : রাষ্ট্রপতি বরিশালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে জয়িতাদের সংবর্ধনা সেও কি আপনাকেই মিস করছে! ইউরোপের ৬১ সিনেমা হলে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ মিয়ানমারকে বয়কটের ডাক দিল ৩০ মানবাধিকার সংস্থা সাদিক আবদুল্লাহ`র কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপণ চিন্তাশক্তি দুর্বল করে দিতে পারে মটরশুঁটি, দাবি গবেষকদের! ২০২০ সালে ফাইভ-জি জগতে পা দেবে বাংলাদেশ-মোস্তাফা জব্বার পায়ুপথে ইয়াবা, শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রী আটক ২২ ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজি বদলি উজিরপুরে বেগম রোকেয়া দিবসে জয়িতাদের সংবর্ধনা গৌরনদীতে ৫ জয়িতাদের ক্রেষ্ট প্রদান গৌরনদীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত
৪৮

সন্তানের বয়ঃসন্ধিতে বন্ধু হওয়াটা জরুরি

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০১৯  

বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে বাবা-মায়েদের পক্ষে সন্তানদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা প্রায় অসম্ভব! এই কারণেই সন্তানের সঙ্গে বেড়ে যায় দূরত্ব, তৈরি হয় বিরাট গ্যাপ। তাই মনোবিদদের পরামর্শ হল, অভিভাবক হওয়ার চেয়ে তাদের বন্ধু হওয়াটা জরুরি। যতটুকু সময় পাওয়া যায়, সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো মেলামেশা করা উচিত। তাতে সন্তানের মন বোঝা সহজ হবে। 

এবার জেনে নেওয়া যাক বয়ঃসন্ধিতে সন্তানের মন বুঝতে তার বন্ধু হয়ে উঠার উপায় সম্পর্কে...

* কর্ম ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিদিন কিছুটা সময় দিন সন্তানকে। নিজের সারাদিনের অভিজ্ঞতাও সন্তানের সঙ্গে শেয়ার করুন। তারপর সন্তানের সারাদিনের খুঁটিনাটি, কোথায় গেল, কী করল, কী ভাবে কাটল— এসব জানার চেষ্টা করুন।

* সন্তানের কী ভাল লাগে, কী পছন্দ, কিসের শখ এবং তার কী স্বপ্ন জানার চেষ্টা করুন। ওর যেন মনে হয়, এগুলো আপনার কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানের পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তব প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলুন। 

* সন্তানের প্রিয় বন্ধু কে, কাদের সঙ্গে ও মেলামেশা করে, কী বিষয়ে ওদের মধ্যে আলোচনা হয় তা গল্পের ছলে জানার চেষ্টা করুন সময় নিয়ে। এক্ষেত্রে আপনার ছোটবেলার বন্ধুদের কথা বলতে পারেন। 

* ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ বা ডিনার— আপনার সুবিধা মতো সন্তানের সঙ্গে সময় ভাগ করে নিন। চেষ্টা করুন, খাওয়ার সময়টুকু সন্তানকে সঙ্গ দিতে। কাজের চাপে সারাদিনে সম্ভব না হলেও যে কোন একটা নির্দিষ্ট সময় বাড়ির সকলে একসঙ্গে বসে খাওয়ার চেষ্টা করুন। সেটা সকালের কিংবা রাতের খাবার হতে পারে।

* সপ্তাহে বা মাসে অন্তত একবার সন্তানকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যান। সারাটা দিন ওর সঙ্গে কাটান। ওর ছোট ছোট প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন সহজ সরল ব্যাখ্যায়।

* সন্তানের কোন আবদার বা বায়না মেটানোর জন্য পাল্টা কোন শর্ত চাপিয়ে দেবেন না। এতে ভবিষ্যতে সন্তানও আপনাদের ওপর নানা রকম শর্ত চাপিয়ে নিজেদের দাবি বা জেদ পূরণ করতে চাইবে।

* সন্তানকে সময় দেওয়ার সময় কোন ভাবেই যেন টেলিভিশন বা ফোন ওই সময়ের অংশ না হয়ে ওঠে তা লক্ষ্য রাখবেন। সন্তানকে সময় দিতে না পারলেও ওর হাতে ভুলেও বিকল্প হিসাবে টিভির রিমোর্ট বা স্মার্টফোন তুলে দেবেন না। এর ফলে সন্তানের ক্ষতিই হবে।