• শনিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৪ ১৪২৭

  • || ১৫ রজব ১৪৪২

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
মুজিবনগর-কলকাতা স্বাধীনতা সড়কের কাজ শেষ পর্যায়ে: এলজিআরডি মন্ত্রী রেলে ১২ হাজার লোক নিয়োগ দেয়া হবে: রেলপথ মন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫, শনাক্ত ৪১০ বঙ্গবন্ধুর পরিবার সততা, মেধা ও সাহসের প্রতীক: কাদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ সাত কলেজের পরীক্ষা চলবে: শিক্ষা মন্ত্রণালয় করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫, শনাক্ত ৪২৮ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে সাধারণ মানুষও চিকিৎসা পাবেন: আইজিপি জনগণ ভালোবেসে আমাদের সরকার গঠনের সু্যোগ দিয়েছে: কাদের সাত কলেজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সন্ধ্যায় দেশপ্রেম আগে, আমি টেস্ট খেলবো: মোস্তাফিজ দেশে করোনায় ১৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯৯ ৭ এপ্রিল করোনার দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও তৈরি হবে যুদ্ধবিমান: প্রধানমন্ত্রী দেশে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৬৬ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলছে ২৪ মে: শিক্ষামন্ত্রী হল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত ৫-৬ দিনের মধ্যেই: মন্ত্রিপরিষদ সচিব এক মাসের মধ্যে চালের বাজার স্বাভাবিক হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সন্তানের ইন্টারনেট আসক্তি নিয়ন্ত্রণে আনার কিছু উপায়

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার নিরাপদ করতে বাবা-মাকে মূলত দুটি জিনিস নজরদারিতে রাখতে হবে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে-শিশুরা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে কোনো ধরনের বিপদে পড়ছে কিনা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে-তারা কোনো আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে কিনা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটু সচেতন হলেই শিশুদের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যায় বা তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নজরদারি করা যায়। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সে সম্পর্কে- 

> প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করুন। শিশুদের যদি কোনো ডিভাইস দেয়া হয়, তা হলে সেটিতে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করাটাই নিরাপদ। গুগলে একটা প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সিস্টেম আছে, যা ব্যবহার করে শিশু কী দেখছে তার ওপর নজরদারি করা সম্ভব।

> কিছু গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ ইনস্টল করুন। প্যারেন্টাল সেফ ব্রাউজার একটি অ্যাপ আছে। এটি যদি শিশুর ডিভাইসে ইনস্টল করা হয় এটি ব্যবহার করে কোনঅ ধরনের অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট দেখতে পারবে না শিশু। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই নিরাপত্তাবিষয়ক কিছু অ্যাপ ইনস্টল করা উচিত।

> চাইল্ড ভার্সন অপশনটি ব্যবহার করুন। ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের চাইল্ড ভার্সন আছে। সে ক্ষেত্রে শিশুদের একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে দেয়া যায়, যেটি তারা ব্যবহার করলেও অভিভাবকদের সুপারভাইস করার সুযোগ থাকে।

> ইন্টারনেট সংযোগ নেয়ার সময় সচেতন হোন। কোম্পানির কাছ থেকে ইন্টারনেট সংযোগটি নেয়া হচ্ছে তা শিশুর জন্য সেফ ইন্টারনেটের ফিচারটি আছে কিনা সেটি যাচাই করে নিন।

> শিশুর ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সময় বেঁধে দিন। শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে হলে ইন্টারনেট সংযোগ বাসায় কখন কখন থাকবে আর কখন থাকবে না, সেটির একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিতে হবে।

> শিশুর সঙ্গে আপনিও অংশ নিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় আপনিও শিশুর সঙ্গে বসুন। শিক্ষামূলক বিভিন্ন চ্যানেল ও ওয়েবসাইট রয়েছে। তাদেরকে সেগুলো দেখতে উৎসাহিত করুন। নতুন কিছু শিখতে বা তৈরি করতে তাদেরকে আগ্রহী করে তুলুন।

> আপনি কী দেখছেন সে বিষয়েও সতর্ক হোন। বাড়ির বাবা-মা বা প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা যদি ওই ওয়াইফাই সংযোগ ব্যবহার করে আপত্তিকর কিছু সার্চ করে বা দেখে, তা হলে সেগুলো ওই আইপি অ্যাড্রেসেই জমা হয়। ওই ইন্টারনেট ব্যবহার করে যদি বাড়ির শিশু বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরাও কিছু ব্রাউজ করে তা হলে ওই জিনিস বা কন্টেন্টগুলো তাদেরও সামনে চলে আসে। তাই সতর্ক হোন।