সোমবার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৪ ১৪২৬   ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
২০ বছর পর আজ ঢাকায় আসছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদার প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন পাইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উহান ফেরত শিক্ষার্থীরা নজরদারিতেই থাকবেন : আইইডিসিআর রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার সহায়তা চাইলেন ড. মোমেন ইউএনও’দের মাধ্যমে রাজাকারের তালিকা করা হবে : মোজাম্মেল হক মানবপাচারে অভিযুক্ত এমপির বিষয়ে দুদককে তদন্তের আহ্বান কাদেরের হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন বিশ্বকাপজয়ী ৬ ক্রিকেটারকে নিয়ে বিসিবি একাদশ ঘোষণা মশা মারার পর্যাপ্ত ঔষধ মজুত আছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী রহমত আলীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট রহমত আলী আর নেই নিঃস্বার্থভাবে জনগণের কাজ করুন, নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনা কে ভোট দিল কে দিল না তা বিবেচনা করে না আ. লীগ : প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ উন্নয়নে বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চীন থেকে দেশে আসা সবাই সুস্থ : আইইডিসিআর বিএনপি এখন টেলিফোনে প্রেমালাপ শুরু করেছে : নানক মুজিববর্ষে দেশের প্রতিটি ঘর আলোকিত হবে: নাসিম দাখিল পরীক্ষায় নকল করায় ৬ ছাত্র বহিষ্কার খালেদার মুক্তি নিয়ে বিএনপি-ই দ্বিধান্বিত: তথ্যমন্ত্রী ৩৫ এলাকায় ফ্রি ওয়াই-ফাই পাচ্ছেন কক্সবাজারবাসী
৩৭

লালদীঘি হামলার নির্দেশদাতাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০২০  

১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠের জনসভায় হামলার জন্য ঢাকা থেকে যারা নির্দেশ দিয়েছিল তাদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ের তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির নবনির্বাচিত পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

৩২ বছর পর এ হত্যা মামলার রায় শেষ হওয়ায় সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে সরকারের তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে জনসভা করার জন্য চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে গাড়িবহর নিয়ে আসছিলেন। সেই গাড়ি বহরের সামনে একটি মিছিল ছিল। সেই মিছিলে আমি ছিলাম। আমরা যখন কোতোয়ালির মোড় অতিক্রম শুরু করি তখন থেকে গুলি শুরু হয়। নির্বিচারে গুলি চালানো হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, যদিও নিহতের সংখ্যা বলা হচ্ছে ২৪ জন, কিন্তু এ সংখ্যাটা আরও বেশি। কারণ সেদিন অনেক লাশ গুম করে ফেলা হয়েছিল। আমাদের হিসাব মতে সেটি অবশ্যই ৩০ জনের বেশি। কারো কারো মতে সেটি ৩৬ জন। কিন্তু অনেকগুলো লাশ গুম করে ফেলার কারণে সংখ্যা অনেক কমে আসে। ৩২ বছর পর এ হত্যা মামলার রায় হয়েছে। এজন্য অবশ্যই আমরা সন্তুষ্ট। কিন্তু আমি মনে করি এ গণহত্যা চালানোর জন্য ঢাকা থেকে যারা নির্দেশ দিয়েছিল তাদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

‘একই সঙ্গে ১৯ বছর আগে সিপিবির সমাবেশে যেভাবে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল সেটিরও যে বিচার হয়েছে এজন্য সন্তোষ প্রকাশ করছি। ২৪ জানুয়ারির হামলা ও সিপিবির সমাবেশে হামলা গণতান্ত্রিক শক্তি ও প্রগতিশীল শক্তিকে ধ্বংস করার জন্যই হয়েছিল। যারা এ হামলাগুলো করেছিল, তাদের উত্তরসূরিরা কিন্তু এখনো সক্রিয়। আমাদের এজন্য এখনো সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হয় দেশের আইন ও আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করছে।

১৯৮৮ সালে ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিরোধীদলের সমাবেশে যখন পুলিশ গুলি করে তখনতো হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় ছিলেন। তাহলে এটা তার নির্দেশে হয়েছিল কিনা- এমন এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে এরকম নির্দেশ না থাকলে চট্টগ্রামে পুলিশ প্রশাসন এভাবে দেশের বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের সভাপতির মিছিলে পুলিশ গুলি চালাতে পারে না। সুতরাং, তখন যারা ক্ষমতায় ছিল নিশ্চয় তাদের পক্ষ থেকে নির্দেশটা এসেছিল। কে নির্দেশ দিয়েছিল সেটি এ মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। সেটি তদন্তের বিষয়। কিন্তু তদন্ত করে যারা নির্দেশ দিয়েছিল তাদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

তারাতো আপনাদের মহাজোটের অংশ- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের কোনো মহাজোট নেই। মহাজোট ছিল আগে।

এই বিভাগের আরো খবর