বৃহস্পতিবার   ১২ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৭ ১৪২৬   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
কৃষি আধুনিক হলেই মাথাপিছু আয় বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস আজ মাওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী আজ ববি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন : সভাপতি আরিফ-সম্পাদক খোরশেদ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিলো সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার কাল নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বললেন ওবায়দুল কাদের ‘ফুড চেইনের মাধ্যমে প্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করছে’ বিশাল জয়ে শুরু কুমিল্লার বঙ্গবন্ধু বিপিএল মিশন টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ গ্রেটা থানবার্গ বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দেবে এডিবি ‘বিদেশগামীদের জন্য চালু হচ্ছে প্রবাসী কর্মী বিমা’ বানারীপাড়ায় ট্রিপল মার্ডার: প্রবাসীর স্ত্রী কারাগারে প্রেষণে বদলি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ৯ জিএম জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মাদককে দেশ ছাড়া করবো: আইজিপি বিটিসিএলের সব স্কুলের প্রাথমিক শাখা হবে ডিজিটাল কাল থেকে শুরু এইচএসসির ফরম পূরণ টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে কুমিল্লা বিধ্বংসী ইমরুলে সিলেটকে হারিয়ে শুভসূচনা চট্টগ্রামের আদালতের কাজে সরকার হস্তক্ষেপ করে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৩১

রোহিঙ্গাদের অপরাধ ঠেকাতে রেশন বন্ধের সুপারিশ

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রোহিঙ্গাদের রেশন সুবিধা বন্ধ করে দেয়ার সুপারিশ করেছে পুলিশ। এ নিয়ে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। তবে, মানবিক কারণে রেশন বন্ধের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা খুবই কঠিন বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেখা যায় জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য সংগ্রহের জন্য রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দীর্ঘ সারি। কক্সবাজারের উখিয়ার ঊনিশটি ত্রাণকেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে রেশন বিতরণ করছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।

প্রতিমাসে একবার ৩০ কেজি আতব চাল, ৯ কেজি মশুর ডাল ও ৩ লিটার সয়াবিন তেল পায় এক থেকে তিন সদস্যের রোহিঙ্গা পরিবার। পরিবার চার থেকে সাত সদস্যের হলে একই পরিমাণ রেশন মেলে মাসে দুইবার। আট থেকে দশ সদস্যের পরিবার মাসে তিনবার পায় একই পরিমাণ রেশন। আর, এগারো বা তারচেয়ে বেশি সদস্যের পরিবার মাসে দুইবার করে ৬০ কেজি আতব চাল, ১৮ কেজি মশুর ডাল ও ৯ লিটার সয়াবিন তেল পায়।

এর বাইরে, প্রতি মাসে ৭৭০ টাকা পান বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির স্মার্টকার্ডধারী প্রত্যেক রোহিঙ্গা। এ টাকা দিয়ে কমমূল্যে পেঁয়াজ, মরিচ, রসুন, লবণ, চিনি, ডিম, আলু, তাজা শাক, শুটকি, আপেল, কমলা, মাল্টাসহ ২৮ ধরনের পণ্য কিনতে পারেন তারা। এছাড়া, বিনামূল্যে সাবান, টুথ পেস্ট, টুথ ব্রাশ, জুতা, গ্যাসের চুলা ও এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার পেয়ে থাকে রোহিঙ্গারা।

সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রোহিঙ্গারাও প্রতিমাসে রেশন সুবিধা ভোগ করছে। এই পরিস্থিতিতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অভিযুক্তদের রেশন বন্ধ করার সুপারিশ করেছে পুলিশ। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন বলেন, 'যে সমস্ত রোহিঙ্গারা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে ও যাদের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগপত্র দাখিল করেছি, তাদের গ্রেপ্তারের সহযোগীতার জন্য যেন রেশন বন্ধ করা হয়। কিংবা রেশন যখন উত্তোলন করতে যায় যেন পুলিশকে জানানো হয়, তাহলে আমরা তাদের আইনের আওতায় দ্রুত নিয়ে আসতে পারি।'

 

তবে, মানবিক কারণে এ সুপারিশ বাস্তবায়ন করা মুশকিল হবে বলে মনে করে জেলা প্রশাসন। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন বলেন, 'বন্ধ করা কঠিন কারণ তাদের পরিবারের লোকজনও তো তাদের সঙ্গে রয়েছে। সেই পরিবারকে তো অভুক্ত রাখার সুযোগ নেই। তবে, সুনির্দিষ্টভাবে যদি কেউ তার পরিবারসহ অপরাধে জড়িয়ে যায় তাহলে এই ব্যাপারটি বিবেচনার বিষয়টি আসবে।'

রেশন বন্ধ করা নিয়ে শিগগিরই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের।

 

এই বিভাগের আরো খবর