বুধবার   ১১ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৭ ১৪২৬   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আব্দুস সাত্তার টিপুর রায় আজ পদ্মা সেতুর দুই হাজার ৭০০ মিটার দৃশ্যমান হবে আজ আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস আজ দেশে এখন বিদ্যুতের ঘাটতি নেই : নসরুল হামিদ বিপু ইন্টারনেটে কিছু দেখেই বিশ্বাস করবেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবাই মেহেরবানি করে ভালো কাজে যুক্ত হন : অর্থমন্ত্রী ‘শান্তির দূত’ থেকে যেভাবে গণহত্যার কাঠগড়ায় সু চি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে সরব হওয়া কে এই আবুবাকার? রাত পোহালেই বঙ্গবন্ধু বিপিএল: মাঠের লড়াইয়ে যারা আন্তর্জাতিক আদালতের শুনানিতে মিয়ানমারকে গণহত্যা বন্ধের আহ্বান মানবসম্পদ উন্নয়নে ৫৪০ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রস্তাব এডিবির কোরআন শরিফের কপি বেশ পুরোনো হয়ে গেলে করণীয় এসকে সিনহার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল, সম্পদ জব্দ অনলাইনে নারী সরবরাহ, সিআইডির অভিযানে অ্যাডমিন গ্রেফতার একনেকে ৭ প্রকল্প অনুমোদন পয়েন্ট অব সেল মেশিনে সব নেটওয়ার্কে লেনদেন করা যাবে বরিশালে ২ খাবার হোটেলকে জরিমানা বাংলাদেশ জলসীমায় মাছ শিকার, ১৪ ভারতীয় জেলে আটক রোহিঙ্গা গণহত্যা : হেগের আদালতে বিচার করছেন যে বিচারকরা ৪০তম বিসিএস: লিখিত পরীক্ষা ৪-৮ জানুয়ারি
১৪

রুগ্ন শিল্প পুনরায় চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০১৯  

প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের রুগ্ন শিল্প কারখানাগুলোকে পুনরায় চালুর পরিকল্পনা করছে।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যেই আমরা কিছু কিছু পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি। কিছু কিছু শিল্প রয়েছে সেগুলো এত পুরনো সে সব রুগ্ন শিল্পকে শতচেষ্টা করেও আর চালু করা যাচ্ছে না। কাজেই সেগুলোর জন্য কিছু বিকল্প ব্যবস্থা আমাদের নিতে হচ্ছে।’

‘তাছাড়া, অনেক শিল্প কারখানা আছে যেখানে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। সে সব জায়গায় এসব শিল্পের সঙ্গে যদি আমরা নতুন নতুন শিল্প স্থাপন করতে পারি বা বিনিয়োগ করতে পারি, তাহলে কিন্তু সেগুলো চালু হতে পারে,’যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর ফলে অনেক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হতে পারে এবং অনেক নতুন উদ্যোক্তাও আমরা তৈরী করতে পারি। কাজেই এসব রুগ্ন শিল্পগুলোকে কিভাবে যথাযথভাবে আবার বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে কার্যকর করা যায় সে বিষয়টা আমরা বিবেচনা করছি এবং এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করছি।

যেখানে বেশি জায়গা রয়েছে সেখানে যেহেতু এখন যন্ত্রপাতি সব আধুনিক এবং আকারে ছোট। তাই এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর সরকার নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় প্রযুক্তিকে মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য দেশব্যাপী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন এবং কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খানের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য যা যা করণীয় তার সরকার করে যাচ্ছে এবং করে যাবে এবং প্রয়োজনে বাবার মত জীবন দিয়ে যেতেও তিনি কুন্ঠিত হবেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলতে পারি আমার জীবনটাকে উৎসর্গ করেছি বাংলাদেশের জনগণের জন্য। বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে যা যা প্রয়োজন তার সবই আমি করবো। প্রয়োজনে আমার জীবনও যদি দিতে হয় বাবার মতো, তাও আমি দিয়ে যাব।’

তিনি বলেন, এমন একট সময় ছিল যে, এদেশের মানুষ একবেলা খেতে পেত না। খুব আগের কথা নয়, এই ১০/১১ বছর আগের কথা- তখন দেশের অবস্থাটা কি ছিল একবার চিন্তা করেন। অন্তত এখন আর সেই অবস্থাটা নাই।

তিনি এ সময় আজ গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাঁর ২৩টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম এবং ৭টি নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধনকালে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়ে একজন গ্রাম্য মহিলার স্বনির্ভর হয়ে ওঠার উদাহারণ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এদের মধ্যে একটি উপজেলা একেবারে দুর্গম এলাকা। সেখানে এক বোন বললেন তিনি তার গ্রামে বিউটিফিকেশনের কাজ করেন। বিদ্যুৎ পাওয়ার কারণে এই কাজ আরও সহজ হবে।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘গত এক দশকে মানুষের অবস্থার এমন পরিবর্তন ঘটেছে যে, এখন একটি ইউনিয়ন পর্যায়েও বিউটিফিকেশনের কাজ হয়। নিজে খাওয়ার জন্য একটি মেয়ে কাজ করছে। শুনতেই ভালো লাগে যে, আমাদের পদক্ষেপের সুফলটা যে গ্রামগঞ্জে পৌঁছে গেছে, সেটাই সব থেকে বড় কথা।’

এই বিভাগের আরো খবর