মঙ্গলবার   ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৬ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
আজ বাংলাদেশ-নেপাল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সরকার-জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে সাংসদের রাষ্ট্রপতির আহ্বান দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে : নাসিম ব্যাংকের জঙ্গি অর্থায়ন নজরদারিতে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০০ মেট্রিক টন মধু রফতানির অর্ডার পেয়েছে বাংলাদেশ : কৃষিমন্ত্রী নয় বছরে সাড়ে ৯৭ হাজার কর্মকর্তা নিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দেশে মোবাইল টাওয়ার রেডিয়েশনের মাত্রা ক্ষতিকর নয় : বিটিআরসি সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ২০ বছর পর আজ ঢাকায় আসছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদার প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন পাইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উহান ফেরত শিক্ষার্থীরা নজরদারিতেই থাকবেন : আইইডিসিআর রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার সহায়তা চাইলেন ড. মোমেন ইউএনও’দের মাধ্যমে রাজাকারের তালিকা করা হবে : মোজাম্মেল হক মানবপাচারে অভিযুক্ত এমপির বিষয়ে দুদককে তদন্তের আহ্বান কাদেরের হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন বিশ্বকাপজয়ী ৬ ক্রিকেটারকে নিয়ে বিসিবি একাদশ ঘোষণা মশা মারার পর্যাপ্ত ঔষধ মজুত আছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী রহমত আলীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট রহমত আলী আর নেই নিঃস্বার্থভাবে জনগণের কাজ করুন, নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনা
১২০

যে দূর্গ থেকে কেউ ফেরে না!

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 

ভয় পাওয়ার ইচ্ছে আছে? অনেকদিন ধরে ভৌতিক কিছু দেখার জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন? আপনার জন্য এই অভিজ্ঞতা নিয়ে আসতে পারে এমন একটি জায়গার কথাই বলব আপনাকে। বলছিলাম ভারতের ভাঙ্গার ফোর্ট বা ভাঙ্গার দূর্গের কথা। 

ভারতের এবং পৃথিবীর অন্যান্য ভয়ঙ্কর ভুতুড়ে আর অভিশপ্ত স্থানের মধ্যে যদি কয়েকটি স্থানের নাম থেকে থাকে তাহলে ভাঙ্গার ফোর্ট এই তালিকার প্রথমে রয়েছে। ভারতের আলওয়ার জেলায় অবস্থিত এই দূর্গের অভিশপ্ত হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। মুখে মুখে অনেকগুলো গল্পও বানিয়েছে মানুষ এই দূর্গটিকে ঘিরে। গল্পগুলো সত্যি, নাকি শুধুই গল্প- সেটা অবশ্য ভেবে দেখার ব্যাপার। 

১৫৭৩ সালে নির্মাণ করা হয় এই দূর্গটি। বর্তমানে প্রায় ভেঙে পড়া অবস্থায় আছে এটি। এই দূর্গটির অভিশপ্ত হওয়ার পেছনে যে গল্পগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে সবচাইতে বেশি প্রচলিত গল্পটি হলো রাজা মধু সিং-এর গল্প। 

মনে করা হয় দূর্গটির নির্মাতা রাজা মধু সিং প্রথমেই দূর্গের পাশে বসা মুনি বালু নাথের কাছে যান দূর্গ নির্মাণের অনুমতি চেয়ে। বালু নাথ এক শর্তেই এ ব্যাপারে রাজি হন। তিনি বলেন কোনোভাবেই যেন দূর্গের ছায়া মুনির ওপরে না পড়ে। পরবর্তীতে এই দূর্গের ছায়া মুনির ওপরে পড়ে গেলে বালু নাথ ক্ষেপে যান এবং নিজের ক্ষমতাবলে দূর্গটি ধ্বংস করে দেন। 

তবে স্থানীয় কিছু গুজবও আছে এই দূর্গকে ঘিরে। বলা হয় যে, রত্নাবতী নামে এক রাজকুমারী বাস করতেন এই দূর্গে। তাকে অনেকেই ভালোবাসতেন। ভালোবাসতেন সিঙ্ঘিয়া নামের একজন তান্ত্রিকও। একটা সময় রাজকুমারীর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য মন্ত্র পড়া তেল নিয়ে যান তান্ত্রিক।

রাজকুমারী পুরো ব্যাপারটি বুঝতে পেরে এই তেল মাটিতে ফেলে দেন। ফলে তান্ত্রিক সিঙ্ঘিয়া পাথর হয়ে যান এবং তার আগে অভিশাপ দিয়ে যান যে, এই ভাঙ্গার দূর্গে কোনো সন্তান আসবে না। একটা সময় রাজবাড়ী বিরান হয়ে যায়। রাজকুমারীও মৃত্যুবরণ করেন। স্থানীয় মানুষের ধারণা, রাজকুমারী অন্য কোথাও জন্ম নিয়েছেন। তিনি আবার ফিরে আসবেন এই দূর্গে। 

গল্পগুলোর মধ্যে কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যে তা নিয়ে দ্বিধা থাকলেও, সবচাইতে বড় ব্যাপারটি হলো এই দূর্গকে ঘিরে থাকা মানুষের ভয়। প্রচণ্ড ভয় পায় মানুষ এই দূর্গে প্রবেশ করতে। আর তার পেছনে রয়েছে দূর্গের ভেতরে হওয়া ভুতুড়ে ব্যপারগুলো। 

এই দূর্গে অনেকেই সাহস প্রমাণ করার জন্য থাকতে গিয়েছেন। কিন্তু এদের কেউ আর ফিরে আসেননি। শুধু তাই নয়। দূর্গ থেকে রাতের বেলা চুড়ির শব্দ, কান্নার আওয়াজ ভেসে আসে প্রায় সময়। আর এই সবকিছু মিলেই পুরো দূর্গটিকে অভিশপ্ত ও ভুতুড়ে বলে মনে করছেন সবাই। 

এক ব্যক্তি দূর্গের পাশ দিয়ে চলে আসার সময় হুট করে এক আগুন্তকের দেখা পান। পরবর্তীতে এই আগুন্তক একদম হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছিলেন। হুট করে এভাবে দেখা দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা এই দূর্গের পাশে একেবারেই কম নয়। 

কী ভাবছেন? এই সবটাই কল্পনা? অনেকগুলো দিন ধরে চলে আসছে ভাঙ্গার ফোর্টকে নিয়ে এমন কাহিনী। সেই কাহিনীগুলো একে একে ডালপালাও ছড়িয়েছে অনেকটা। তাই, সাহস থাকলে হয়তো প্রথম কেউ হিসেবে এই দূর্গে রাত কাটিয়ে আসতে পারেন আপনিও!