• মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

বরিশাল প্রতিবেদন
ব্রেকিং:
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৫০ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯১৮ করোনায় আরও ৪৮ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৯৫ ঈদ-বন্যা ঘিরে করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বিস্ফোরণ, ‘নব্য জেএমবির সদস্য’ আটক করোনায় আরও ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৩০০৯ ১২ কোটি টাকা আত্মসাত করে গ্রেফতার যমুনা ব্যাংকের ম্যানেজার থানায় বিস্ফোরণে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা নেই : পুলিশ ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ২৯৬০, মৃত্যু ৩৫ হাতের তালু দিয়ে আকাশ ঢাকা যায় না: বিএনপিকে কাদের দেশে একদিনে ৩৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২৭৭২ সাবরিনার অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে ৪ জনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫৪, শনাক্ত ২২৭৫ কোরবানি পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ২৫২০ তিন দিনের রিমান্ডে শারমিন টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ রোহিঙ্গা যুবক নিহত করোনাভাইরাসে আরও অর্ধশত মৃত্যু করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৪৪ সরকারের পদক্ষেপে দেশ মৎস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ ১ আগস্ট
৬৯

যে কারণে দেশি মৌসুমী ফল খেতে বলেন চিকিৎসকরা

বরিশাল প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০২০  

করোনা আবহে বাড়াতেই হবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এর কোন বিকল্প নেই, কেননা এখন পর্যন্ত কোন প্রতিষেধক পাওয়া যায়নি। তাই প্রতিদিন দেশি ফল খেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু কেন দেশি ফল খেতে বলা হয়? তা জানাটা অত্যন্ত এই সময়ের জন্য জরুরি।

শুধুমাত্র পুষ্টিগুণের জন্য নয়, আরও নানা কারণে দেশি (স্থানীয়) ফল বেশি খেতে বলছেন চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা। এক্ষেত্রে অ্যাভোকাডো, কিউই, ব্লু বেরি, রাস্প বেরি, ড্রাগন ফ্রুটের থেকে আম, কলা, পেয়ারাকেই এগিয়ে রাখছেন তাঁরা।

স্থানীয় ফলের ক্ষেত্রে ফলনের কিছু দিনের মধ্যেই তা বাজারে চলে আসে। এমনকি, বাড়ির গাছ হলে সে ক্ষেত্রে ফল পাকলেই তা খাওয়ার সুযোগ রয়েছে। মৌসুমী ফলের মধ্যে উৎসেচকের পরিমাণ বেশি থাকায় তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। স্থানীয় এলাকার মাটি, পানি, বাতাসেই বেড়ে ওঠে এই ফলের গাছ। তাই স্থানীয় সংক্রমণ বা মৌসুমী সংক্রমণের ক্ষেত্রে এদের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতাও বেশি।

কিন্তু বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ফল স্বাদে অনেক সময় অতুলনীয় হলেও এই ফল আমদানি করার সময় সতেজ রাখার জন্য মেশানো হয় প্রিজারভেটিভ। এ কারণে ভেঙে যায় উৎসেচক, কমে পুষ্টিগুণ। ফলে বিদেশি ফল খেলে পুষ্টি তেমন একটা মিলে না।

দাম যেমন কম তেমনি দেশি মৌসুমী ফল থাকেও টাটকা। এ জাতীয় ফলের ক্ষেত্রে স্বাদও অনেক বেশি থাকে। স্থানীয় ফলের ক্ষেত্রে মওসুমের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। যেমন গরমকালে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, তরমুজ, বেদানা; বর্ষাকালে আনারস-মুসাম্বি, শীতকালে কমলা লেবু, মাল্টা, কুল পাওয়া যায়। এই ফলগুলো যে সময়ের সেই সময়ের নানা সংক্রমণে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। এছাড়া নানারকম ফল খাওয়ার সুযোগও হয়, তাতে একঘেঁয়েমিও কমে- এমনটাই বলছেন পুষ্টিবিদরা।

অন্যদিকে আমদানিকৃত ফল বা এক্সোটিক ফ্রুটের ক্ষেত্রে ফল পাকার অনেক আগেই গাছ থেকে পেড়ে নেওয়া হয়। পরিবহনের খরচ জুড়ে যাওয়ায় ফলের দামও বেশি হয়। আবার ফল সতেজ রাখার জন্য রাসায়নিক স্প্রে করা হয় অনেক ক্ষেত্রেই। তাই পুষ্টিগুণের বিচারে দেশি মৌসুমী ফলকেই এগিয়ে রাখছেন পুষ্টিবিদরা। তবে স্বাদ বদলের জন্য মাঝে মাঝে এক্সোটিক ফ্রুট বা আমদানিকৃত ফল খাওয়া যেতেই পারে।

কিছু স্থানীয় ফল নির্দিষ্ট কোন এলাকায় শুধু নির্দিষ্ট মৌসুমে বেশি পাওয়া যায়। তা সংগ্রহ করে অবশ্যই ডায়েটে রাখতে বলছেন পুষ্টিবিদরা। তবে ডায়াবেটিস ও কিডনির অসুখ বা অন্য কোনও সমস্যা থাকলে কোন ফল খাবেন আর কোনটা খাবেন না, এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

আতা, বেল, আমলকি, কাজু বাদাম, নারিকেল এই ফলগুলো প্রাকৃতিকভাবেই প্রোটিন ও খনিজ সমৃদ্ধ।

মনে রাখবেন, গাছে ফলন এবং ফল খাওয়া এ দুইয়ের মধ্যে সময় যত কম, পুষ্টিগুণ তত বেশি। এ কথা মাথায় রেখেই প্রতিদিনের ডায়েটে ফল খেতে বলছেন পুষ্টিবিদরা।

স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর